Skip to main content

শিক্ষা সম্পর্কে যে বার্তা দিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয়

 


ভারতের বেঙ্গালুরে অনুষ্ঠিত ' এশিয়ান সামিট অন এডুকেশন এন্ড স্কিলস' ২০২২ এর অধিবেশনে  দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার ব্যাপারে সমন্বিতভাবে কাজ করার গুরুত্বারোপ করে মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন,' দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে শিক্ষার মানোন্নয়ন, সিলেবাস প্রণয়ন ও প্রযুক্তিগত কাঠামো এবং কনটেন্ট নির্মাণে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এ অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আরও পূঁজি বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্য দেশগুলো একটি শিক্ষা সহায়তা ফান্ড গড়ে তুলতে পারে'। 

তিনি  জাতিসংঘকে এ অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।


মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের শিশুরা বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত সংকটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। বিরাট সংখ্যক শিক্ষার্থীর আবাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানির নিচে তলিয়ে যাবার ফলে তারা বাস্তুচ্যুত ও শিক্ষা বঞ্চিত হচ্ছে। নিঃস্ব পরিবারের সহায়তায় শিক্ষার্থীকে ক্লাসের পরিবর্তে কাজে বের হতে হচ্ছে; যা অমানবিকই কেবল নয়, জাতিসংঘের শিশু সনদ ও আইএলও কনভেশনেরও পরিপন্থী।'


তিনি আজ সকালে ভারতের বেঙ্গালুরে ‘এশিয়ান সামিট অন এডুকেশন এন্ড স্কিলস’ (এএসইস) ২০২২-এর  উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব  কথা বলেন।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্নাটকের মূখ্যমন্ত্রী Mr. Yediyurappa.


উল্লেখ্য যে, ভারতের বেঙ্গালুরে    ‘এশিয়ান সামিট অন এডুকেশন এন্ড স্কিলস’  ১৮ সেপ্টেম্বর  ২০২২ থেকে শুরু হয়।

Comments

সাম্প্রতিক খবর

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।   তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে ।  তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়।  ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন...