Skip to main content

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

 


'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। 


২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি। 


শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্পের বই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বইগুলো শিশুদের পাঠে কৌতুহলী করে তোলে। কারণ এগুলো বয়স, মেধা ও সামর্থ অনুসারে ছয়টি লেভেলে বিন্যস্ত করা হয়েছে। একেবারেই বর্ণজ্ঞান জানা একটি শিশু যাতে ধীরে ধীরে সাবলীল পাঠকে পরিণত হয় সে আঙ্গিকে বইগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতিটি গল্পের প্রতিটি ঘটনার সাথে আকর্ষণীয় ছবির সন্নিবেশ করা হয়েছে যাতে শিশুদের  পাঠ বুঝতে কোনো অসুবিধায় পড়তে না হয়। গল্পের বাঁকে বাঁকে রাখা হয়েছে নাটকীয় পট পরিবর্তন। এতে শিশুরা ঘটনার পরবর্তী ঘটনা পড়তে আগ্রহী হয়।

'শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা ' এ নীতিতে 'রুম টু রীড' প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী প্রতিটি শিশুকে পাঠ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত করতে শ্রেণিভিত্তিক সরব পাঠ,অংশগ্রহণমূলক,জুটিতে ও স্বাধীনভাবে পড়া কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। 


শিখনের মূল ভিত্তি হলো- পড়তে শেখা। পড়তে শিখলে শিশু পরবর্তীতে নিজে পড়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে। 


শিশুর পড়তে শেখাকে উৎসাহিত করতে 'রুম টু রীড ' পড়া দৌড়, শব্দচয়ন, শব্দের খেলা, আবৃত্তি, গল্প বলা, অভিনয় ইত্যাদি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।

ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ 

সহকারী শিক্ষক 

আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 

০১৭১৯৩৩৩৮৬৩

Comments

সাম্প্রতিক খবর

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।   তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে ।  তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়।  ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন...