Skip to main content

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি



বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।

  তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে । 

তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়। 

ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে  বিভাগের সেরা উদ্ভাবক স্বীকৃতি লাভ করেন । ৮ টি গ্রন্থ এবং  ৬০০ এর উপরে প্রবন্ধ- নিবন্ধ লিখেছেন তিনি।

গল্প লেখায় যুগান্তর ওয়ালটন সেরা গল্প লেখক,নেদারল্যান্ড এম্বাসি কর্ত্তৃক সেরা গল্প লেখক পুরস্কার হিসেবে ল্যাপটপ পুরস্কার, শিশু ও নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জেলার সেরা জয়িতা নির্বাচন, ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ থেকে সেরা শিক্ষক সম্মাননা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পুরস্কার,,সার্ক পত্রলিখনে বাংলাদেশের প্রথম পুরস্কারসহ বহু   জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন তিনি । এ টু আই নির্বাচিত এম্বাসেডর, সেরা নেতৃত্ব, সেরা অনলাইন পারফরমার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। 

শিমুল সুলতানা হেপি বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত সঞ্চালক ও শিক্ষার্থীদের আসর এর নিয়মিত শিক্ষক।শিশু একাডেমির আবৃত্তি প্রশিক্ষক এবং সামাজিক- সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তিনি যুক্ত আছেন ছোটবেলা থেকেই।

 সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবি মো রফিকুল ইসলাম

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলায় কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিশিষ্ট সাহিত্যক একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ছন্দের জাদুকর কবি মো রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিকুল নাজিম। 

প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধ্যানধারণার প্রবক্তা।উপকরণ তৈরিতে তিনি শিক্ষকদের নিয়ে একধাপ এগিয়ে কাজ করেছেন। ইদানিং শুরু করেছেন বাংলা গুরু নামে একটি বিশেষ উদ্ভাবন। এতে শিশুর সাবলীল বাংলা রিডিং দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকদের কাছে। পত্রিকা সম্পাদনা হিসেবে রয়েছে তাঁর বিশেষ খ্যাতি। দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোতে  তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। লেখকও পাঠক  মহলে তিনি খুব সমাদৃত ব্যাক্তি।

তাঁর একটি অনবদ্য উদ্ভাবন হলো আমার স্বপ্ন। এ উদ্ভাবনী আইডিয়াটি তিনি ২০১৭ সালে গ্রহণ করেন।

পাঠকদের কাছে তাঁর উদ্ভাবনটি উপস্থাপন করা হলো - 

প্রজেক্টঃ #আমার_স্বপ্ন 

উদ্ভাবনের সময়ঃ এপ্রিল -২০১৭।

উদ্ভাবকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,

সহকারী  উপজেলা শিক্ষা অফিসার,

মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 


#উদ্দেশ্যঃ 

ক.সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশা ও তার দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শিশুরা বলতে পারবে।

খ. শিক্ষার্থীরা নিজের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবে।

গ. নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।

ঘ. প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তে শিশুরা আনন্দের সাথে আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে, আনন্দময়, খেলাচ্ছলে শিখবে।


মোট ধাপঃ ৩ টি।


#ধাপ_১ 

শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের উপর ব্যানারে (সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট) সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশাজীবীদের ছবি (যেমনঃ বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকা/ইউনিয়ন/ উপজেলার সুপরিচিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, শিক্ষক, পুলিশ, ব্যারিস্টার, পাইলট, বিজ্ঞানী, নার্স+++ পেশাজীবীদের ছবি দিলে ভালো হবে) ও লেখা থাকবে 'আমি ডাক্তার হবোই', 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবোই।


#ধাপ_১_বাস্তবায়ন_কৌশলঃ

প্রতি শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড/ মেটালিক বোর্ডের উপরে লাগানো 'আমার স্বপ্ন' ব্যানারটির প্রতিটি পেশা সম্পর্কে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রতিক্লাসে একটি করে পেশা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে বলবেন (যেমনঃ ৩য় শ্রেণির বাংলা বিষয়টি পাঠদান কালে শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে 'ডাক্তার' সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরবেন)। এভাবে সবগুলো পেশা সম্পর্কে বলা শেষ হবে।


#ধাপ_২

২য় ধাপে শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের স্বপ্নের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন এবং প্রাপ্ত স্বপ্নের সাথে নামটা এড করে ঐ শিক্ষার্থীকে ডাকবেন। যেমনঃ ডাক্তার যুনাইরা, ইঞ্জিনিয়ার রাতিন, শিক্ষক রামিম........।


#ধাপ_২_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ ৪র্থ শ্রেণির রোলনং ১৯ মিথিলা কে সহকারী শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস প্রশ্ন করলেন, 'মিথিলা, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?' মিথিলা উত্তর দিলো, 'আমি ডাক্তার হতে চাই।' তখন থেকে শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস শিক্ষার্থী মিথিলাকে 'ডাক্তার মিথিলা' বলে সবসময় শ্রেণিতে সম্বোধন করবেন।এতে শিক্ষার্থী মিথিলা মানসিকভাবে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে কল্পনা করতে থাকবে।


#ধাপ_৩ 

সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার শেষ ক্লাসে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শ্রেণি শিক্ষকের নেতৃত্বে প্রতি সপ্তাহে স্বপ্ন ভিত্তিক দল করে একটা নির্দিষ্ট পেশা নিয়ে #অভিনয় করাবেন।


#ধাপ_৩_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ মাধবপুর সপ্রাবি এর ৪র্থ শ্রেণির ৬৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডাক্তার হতে চেয়েছে ০৮ জন। এই ০৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শ্রেণিতে 'ডাক্তার' বিষয়ক একটা নাটিকা মঞ্চস্থ করবে। যারা ডাক্তার হতে চেয়েছে তারাই অভিনয়ে অংশগ্রহন করবে।

যেমনঃ অক্টোবর মাসের ২য় বৃহস্পতিবার ৪র্থ শ্রেণির ০৮ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫/১০ মিনিটের একটা নাটিকা মঞ্চায়ন করবেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের মনে 'আমার স্বপ্ন' দীর্ঘস্থায়ীত্ব পাবে। তবে উল্লেখ থাকে যে, নাটিকায় প্রতিটি পেশার সাথে যায় এমন মানবিক দৃশ্যেরও অবতারণা করবেন। ( যেমনঃ একজন ডাক্তারের কাছে গরিব রোগী আসলে ডাক্তার মানবিক বিবেচনায় ফ্রি সেবা প্রদান করার মতো দৃশ্যও নাটিকায় থাকবে)


শিখনফলঃ

১.১. শিক্ষার্থীরা নিজেদের মনে লালিত একটা স্বপ্নের কথা বলতে পারবে।

১.২. শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্নের ভালো দিক গুলো উপস্থাপন করতে পারবে।

১.৩. শিক্ষার্থীদের মানসপটে জীবনের লক্ষ্য চিরন্তন আসন পেতে বসবে।

১.৪. নিজেকে যেকোন জায়গায় ভয়ভীতি ও জড়তামুক্ত হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।


সবার সার্বিক কল্যাণ ও শুভ কামনা জানাচ্ছি। 

প্রতিটি শিশু হোক সুরভিত ফুল।

পৃথিবীটা হোক ফুলের স্নিগ্ধ মালা।


ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও নিজ বিদ্যালয়ে স্থাপন করুন।


এগিয়ে যাক প্রাথমিক শিক্ষা, 

এগিয়ে যাবেই বাংলাদেশ।

আমরা করবো জয় ✌

সূত - রফিকুল নাজিম স্যারের ফেইসবুক আইডি থেকে

আরও পড়ুন:

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান

আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ 

 English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে

আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের

গল্প- ববিটার কথা

বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে


       গল্প- ববিটার কথা

লেখক - ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ 



'এই ববি যাহ! যাহ!  তুই আসিস না।' কোনো কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ববি। ম্যাক্স যেখানে যায়, সেখানে ববিটাও। কী স্কুলে, কী প্রাইভেট টিউশন, কী খেলার মাঠ যেখানেই যাবে ম্যাক্স সেখানেই ববিটা উপস্থিত হবে। ওর একটা আচরণ খুবই ভালো -অন্য কাউকে কখনো ডিস্টার্ব করবেনা। এমনকি ভাদ্র মাসেও না। লোকে বলে- ভাদ্র মাসে নাকি ববিরা কামড়ায়। হ্যাঁ, ববির জাত ভাই, জাত বোনেরা একটু ক্রেইজি থাকে এ সময়।তবে ববিটা একদম ব্যতিক্রম। ওর মনোভাবটা একদম শান্ত, ও একদম সুবোধ। তাই ম্যাক্সের বন্ধুরা ওকে খুব ভালোবাসে,আদর করে। ওরা যা খায় তা থেকে খেতে কিছুটা দেয়। এমনকি কোল ড্রিংকসও বাদ যায়নি। ম্যাক্স ববিটাকে একেবারে ছোটবেলা থেকেই কোল ড্রিংকস খাইয়ে অভ্যাস করিয়েছিল। ববিটা হা করে মুখটা ওপরের দিকে তুলে ধরতো।তখন ম্যাক্স বোতল খোলে নিজে খেয়ে ওর মুখে ঢেলে দিতো।কোল ড্রিংকস খাওয়া ম্যাক্স বাদ দিয়েছে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে। 


বাড়ির গ্রিল লাগানো বারান্দায় পড়তে বসে ম্যাক্স অংক কষে। ববিটা এসে চারপা ছড়িয়ে টেবিলের পাশে শুয়ে থাকে। ম্যাক্সের মা ড্রাইকেক আর চা খেতে দিলে ক্ষুধার্ত প্রাণীটা ফ্যালফ্যাল করে খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকে। ম্যাক্স একটা কেইক ছুঁড়ে দেয় ওর দিকে। তৃপ্তিতে খেয়ে ফেলে সে।

আজ ম্যাক্সের বৃত্তি পরীক্ষা। উপজেলা সদরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সে তৈরি হয়ে সকাল আটটার দিকে সিএনজিতে উঠতে রওনা হলো। ওদের বাড়ি থেকে কাঁচা রাস্তা  পূর্ব দিকে একটি পাকা রাস্তায় মিলিত হয়েছে। ওখানে ড্রাইভার অপেক্ষা করছে সিএনজি নিয়ে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি প্রবল বৃষ্টির কারণে রাস্তায় কাদা থাকায় ড্রাইভার বাড়ি পর্যন্ত আসতে রাজি নন।


ম্যাক্স আরও কয়েকবার ববিকে ধমক দিল,' যাহ! যাহ!' ববিটা সিএনজি পর্যন্ত এসেছে। ম্যাক্স উঠে গেল সিএনজিতে। ড্রাইভার চালানো শুরু করে দিল।ম্যাক্স একবার সিএনজির গ্লাসটার দিকে চোখ দিল।ববিটা সিএনজির পিছু দৌঁড়াচ্ছে। 


পরীক্ষার সেন্টারে ঢুকে পড়ল ম্যাক্স।পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল সকাল ১০টায়।কেন্দ্রের গেইট লাগিয়ে দিল গার্ড। এদিকে ববি এসে হাজির। গেইট লাগানো দেখে বকবক আওয়াজ করতে লাগলো। কিভাবে ও বুঝতে পারলো ম্যাক্স ভেতরে আছে? গার্ড মোটা লাঠি হাতে ওকে তাড়া করল।ববিটা যায়না। গেইটের সামনে জড়ো হওয়া অভিভাবকেরা বারবার তাড়াবার চেষ্টা করলো। কিন্তু ববিটা কিছুতেই সরছে না। গার্ড মোটা লাঠি দিয়ে আঘাত করলো ওর মাথায়। ও মাথাটা সরিয়ে নিলেও আঘাত লেগে গেল কানে। ছিঁলে গেল ওর কানটা। জিহ্বা বের করে শুয়ে পড়লো ববি।সবাই বলল,থাক এটা। তাড়ালে যাবেনা। 


পরীক্ষার পর ম্যাক্স সোজা চলে আসলো গেইটের সামনে। ববিটা বসে আছে। ওর কান দিয়ে রক্ত পরছে। নিশ্চয়ই কেউ ওকে কঠিন আঘাত করেছে। 'কে মেরেছে, ববিকে? কে? ' ম্যাক্সের এ প্রশ্ন অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের কোলাহলে হারিয়ে গেল। ম্যাক্স অনেক কষ্ট পেল।ও দৌঁড়ে পাশের ঝোঁপ থেকে জার্মান পাতা এনে কচলিয়ে ববির আহত হওয়া স্থানে লাগিয়ে দিল। ববিকে বলল,'বলছিলামনা আজ না আসার জন্য।'

 তিনমাস পর বৃত্তি পরীক্ষার রেজাল্ট বের হল।সবাই খুশি। ম্যাক্স ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে। কিন্তুুু ওর মনটা একদম ভালোনা। ওর মা বলল,' কিরে তুই খুশি না? ট্যালেন্টপুলের চেয়ে আরতো কোনো ভালো লেভেল নেই। তুইতো সেরাটাই অর্জন করেছিস।' ম্যাক্স বললো, 'মা, আজ ববিটার কথা খুব মনে পরছে। ' বৃত্তি পরীক্ষার দিন ফেরার পথে ববিটা একটা বাসের চাপায় পরে মারা গিয়েছিল।

'সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা


বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৌন্দর্যের মহারাণী চিত্র নায়িকা রোজিনা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয়না তাঁর বয়স ত্রিশ - পয়ঁত্রিশ হবে। সদ্য ইউনিভার্সিটি পাশ করা যুবতীর মতো। সৌন্দর্য ও ফিটনেস সচেতন এই মহানায়িকাকে নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন তারকার কথা। 

চিত্র নায়িকা রোজিনা ১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম রওশন আরা রেণু। 


চিত্র নায়িকা রোজিনার রুপালী পর্দায় পদার্পণে একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে আসার তীব্র বাসনা ছিল তাঁর মনে। কিন্তু কোনো সুযোগ পাচ্ছিলেন না।একদিন সংসদ ভবন এলাকায় একটি ছবির শুটিং হচ্ছিল। তিনি দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। ওই সময় একটি দৃশ্যে ড্রিংকস পরিবেশনের জন্য একজন মেয়ের প্রয়োজন হলে উপস্থিতদের মধ্যে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন। এভাবে রুপালী পর্দায় পদার্পণ করেন তিনি। এরপর তাঁর আগ্রহ, মেধা ও পরিশ্রমে এ পর্যন্ত এসে নিজেকে মহানায়িকা হিসেবে গৌরবময় আসনে  প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 

১৯৮৪ সালে ভারত - বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র 'অবিচার ' এ মিঠুন চক্রবর্তীর বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন নায়িকা রোজিনা ।১৯ ৮৬ সালে নায়ক নাদিমের সাথে 'হাম সে হায় জামানা'য় অভিনয় করে নিগার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন তিনি। 


চিত্র নায়িকা রোজিনার উল্লেখযোগ্য ছায়াছবি হলো - তীর ভাঙা ঢেউ, মাটির মায়া, হারানো মানিক, শহর থেকে দূরে, আয়না, রাজমহল, শীষ নাগ, সোনার চেয়ে দামী, মাটির মানুষ, অভিমান, স্মৃতি তুমি বেদনা, আখেরী নিশান, হুর এ আরব,আনার কলি, মোকাবেলা, রাজনন্দিনী, রাজকন্যা, শাহী দরবার, গাঁয়ের ছেলে, সংঘর্ষ, আলাদীন আলী বাবা সিন্দাবাদ, আল্লাহ মেহেরবান ইত্যাদি। 

দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে তিনি চিত্রনায়ক ওয়াসিম, আলমগীর, সোহেল রানা, জসিম, জাফর ইকবাল, উজ্জ্বল, বুলবুল আহমেদ, মাহমুদ কলির মতো খ্যাতিমান নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি কিংবদন্তী নায়িকা শাবানা ও ববিতার সাথে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।

মধু লেনদেন


ভোমরা নিশিতে ফুলের কানে কানে 

প্রেমের কথা বলে সংগোপনে,

ফুল ছড়িয়ে ধরে পাপড়ির দল,

ভোমরা চুষে খায় মধুর জল। 


ভোমরার ঠোঁটে পরে থাকে ফুলের ঠোঁট, 

পাপড়ি নাড়িয়ে ঝাঁকিয়ে হয় মধু লুট।

পৃথিবীর যত জঞ্জাল, যত লেনাদেনা, 

মাড়িয়ে আসে মনে তাক ধিন ধিন ধিনা।

কোথায় চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর কে জানে? 

নাই, নাই  কিছু ফুল আর ভোমরা বিনে,

কে জানে কোথায় আছে ঘাসফড়িং আর প্রজাপতি, 

হিসেব নিকেশ নাই কোথায় লাভ ক্ষতি।

সব ভুলে মন খোলে মধু লেনদেন, 

আজ আর কে বলে - আমায় ছাড়েন? 


মধু শুধু পিয়ে যায় মাতাল যাদু,

উতাল- পাতাল হাওয়ায় দোলে ফুলবধূ।

ঝড়ে নামে প্রেমজ্বালা ভোমরার হোলে, 

মনখোলা মায়া উঠে ফুলের কোলে। 

চোখে জ্বলা আগুন রাঙায় চরম ফাগুন, 

এই প্রেম সেই লাগে, দারুণ! দারুণ!



মরমী শিল্পী ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ এর নতুন গান ‘ আমি কার ভরসায় দেব পারি পুলসেরাতের পুল’তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত হয়েছে।     https://fb.watch/sAfWUD2KyE/  এ লিংকে প্রবেশ করলে গানটি দেখতে পাবেন।

ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ একজন গীতিকার, কবি ও নাট্যকার। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি লিখে চলেছেন। তার লেখা প্রথম কবিতা অভিলাষ ১৯৯৫ সালে দৈনিক ইনসাফ বার্তায় প্রকাশিত হয়।
১৯৯৫ সালের গোড়ার দিকে তিনি হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন।এময় দৈনিক আল মুজাদ্দেদ পত্রিকায় তিনি প্রবন্ধ লিখতে থাকেন। 

১৯৯৮ সালে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত স্বাধিকার পত্রিকায় তিনি মাধবপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ দুই বছর তিনি এতে লেখালেখি করেন। 

২০০০ সালে কুলাউড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক মানব ঠিকানায় তিনি সাংবাদিকতা করেন। ২০০২ সাল থেকে  দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকায় তার ছড়া ও নিবন্ধ প্রকাশিত হতে শুরু করে।

দীর্ঘদিন বিরতির পর ২০১০ সালে তার শ্রেণিভিত্তিক লেখা দৈনিক ইত্তেফাকের অনুশীলন বিভাগে প্রকাশিত হয়। 

এরপর লেখালেখিতে আবারও বিরতি দেন। ২০২২ সালে আবার লেখালেখি শুরু করেন দৈনিক ইত্তেফাকের অনুশীলন পাতায় । 

বর্তমানে তিনি অনেক স্বরচিত গান গেয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় আপলোড দিচ্ছেন। 

Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...