Skip to main content

Posts

Showing posts from October 2, 2024

শিশু এক অপার বিস্ময়

  শিশুর রয়েছে অজানাকে জানার অদম্য কৌতুহল। সে তার পরিবেশে যা দেখে তা নিয়েই ভাবতে থাকে। কোনো বস্তু কখন কী কাজে লাগে এমন প্রশ্ন তার মনে ঘুরপাক খায়।তাই সে তার পিতামাতা, ভাইবোন ও সহপাঠীদের কাছ থেকে অচেনাকে চিনতে উদগ্রীব থাকে। তার এ আগ্রহ শিখনকে করে তরান্বিত।  শিশুর আগ্রহী ও কৌতুহলী মানসকে বিকশিত করার জন্য শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। তার আবেগ - অনুভূতিকে উপলব্ধি করা হলো শিক্ষকের প্রথম  ও প্রধান কাজ। শিক্ষক যাকে নিয়ে কাজ করবেন তার আচার- আচরণ , অভ্যাস, মেধা ও সামর্থ্যকে ভালোমতো জানতে হবে। এতে শিশুর বিকাশ সাধনে কোন কোন কর্মপন্থা অবলম্বন করা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা  শিক্ষকর জন্য সহজ হবে।  একটি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষদের সন্তানরা পাঠ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। তাই শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৈচিত্র্যকে কেন্দ্র করে বৈচিত্র্যময় পাঠ উপস্থাপন করা অপরিহার্য।   একটি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির শিক্ষার্থী থাকে। তাই তাদেরকে শিক্ষাদান করা সহজ কাজ নয়।সকল ধরণের শিশুরা যাতে একটি পাঠ থেকে শিখতে পারে সে লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ও বৈচিত্র্যময় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।...

ছড়া -এক পশলা বৃষ্টি

 এ ক পশলা বৃষ্টি একপশলা বৃষ্টি ঝরে গেল বনে জমে আছে জল ফোঁটা পল্লব কোণে।  কলাপাতা মেঘে ভিজে করেছে গোসল, পিপাসা মেটাল গুল্ম কানন শতদল।  ভেজা তৃণ ভেজা ওই ছড়ানো ছাতিম,  বৃষ্টিতে মাখামাখি পক্ষির ডিম।  ঝরে গেল বড়োইয়ের গজে উঠা কুঁড়ি,  হাতগুলি নুয়ে দিলো উঁচু তালবুড়ি। গাছ হতে ঝরে গেল পাকা সব ডেউয়া  ঠোঁট দিয়ে ছিঁড়ে খায় ঐ কালো কাউয়া। মেঘের আড়াল থেকে উঁকি দেয় রবি,  পাখিরা উঠে জেগে, শুরু ডাকাডাকি। ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ  সহকারী শিক্ষক,  আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর, হবিগঞ্জ

শিশুদের প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি

  শিশুর প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও গবেষণার অন্ত নেই।তবে কাংখিত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ অনেক পিছিয়ে আছেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর পূর্বে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ও উচ্চ শিক্ষায় অবকাঠামোগত বিরাট সমস্যা ছিল। শিক্ষক প্যাটার্নও যথোপযুক্ত ছিলনা। ছিল শিক্ষক স্বল্পতা। তবু তখনকার শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিকভাবে পাঠদান করতেন। শিক্ষার্থীদের সাথে পিতৃতুল্য আচরণ করতেন শিক্ষকরা। সন্তানতুল্য ছাত্রদের তারা যত্নসহকারে পড়াতেন।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও খুব ভালো পাঠ দিতেন। হাত ধরে অক্ষর শিখাতেন এবং ধীরে ধীরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ,চলিত নিয়ম,শতকরা, ঐকিক নিয়ম, পরিমাপ, জ্যামিতি ইত্যাদি শিক্ষা দিতেন। আদব -কায়দা ও শিষ্টাচার চর্চা করতেন । কিন্তু এখন অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ থাকলেও পূর্বেকার সময়ের শ্রেণিতে যে মাস্টারি লার্নিং হতো তা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।  আজকাল পূর্বের মতো ছাত্র শিক্ষকের নিবিড় সম্পর্কের ঘাটতি রয়েছে। চতুর্দিকে শি...