Skip to main content

শিশুদের প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি

 শিশুর প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও গবেষণার অন্ত নেই।তবে কাংখিত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ অনেক পিছিয়ে আছেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে।

আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর পূর্বে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ও উচ্চ শিক্ষায় অবকাঠামোগত বিরাট সমস্যা ছিল। শিক্ষক প্যাটার্নও যথোপযুক্ত ছিলনা। ছিল শিক্ষক স্বল্পতা। তবু তখনকার শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিকভাবে পাঠদান করতেন। শিক্ষার্থীদের সাথে পিতৃতুল্য আচরণ করতেন শিক্ষকরা। সন্তানতুল্য ছাত্রদের তারা যত্নসহকারে পড়াতেন।

 প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও খুব ভালো পাঠ দিতেন। হাত ধরে অক্ষর শিখাতেন এবং ধীরে ধীরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ,চলিত নিয়ম,শতকরা, ঐকিক নিয়ম, পরিমাপ, জ্যামিতি ইত্যাদি শিক্ষা দিতেন। আদব -কায়দা ও শিষ্টাচার চর্চা করতেন । কিন্তু এখন অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ থাকলেও পূর্বেকার সময়ের শ্রেণিতে যে মাস্টারি লার্নিং হতো তা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।

 আজকাল পূর্বের মতো ছাত্র শিক্ষকের নিবিড় সম্পর্কের ঘাটতি রয়েছে। চতুর্দিকে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ হয়েছে এবং তা দ্রুত প্রসার লাভ করেছে। তবে এক্ষেত্রে রাষ্ট্রও এ দায় এড়াতে পারেনা। 

শিক্ষকদের সন্তোষজনক বেতন,সম্মান ও প্রমোশন রাষ্ট্রকে যৌক্তিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শিক্ষায় সকল বৈষম্য নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে মানসম্মত শিক্ষার দিকে যাত্রা ব্যাহত হতেই থাকবে।


 ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ 
সহকারী শিক্ষক, 
আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধবপর 


Comments

সাম্প্রতিক খবর

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।   তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে ।  তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়।  ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন...