Skip to main content

সারাদেশ

দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান



দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে ২৫ অক্টোবর দেশে ফিরে আসেন। রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছেবাকি অংশটুকু পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোন পথে এগুচ্ছে



বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি



বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।

  তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে । 

তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়। 

ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে  বিভাগের সেরা উদ্ভাবক স্বীকৃতি লাভ করেন । ৮ টি গ্রন্থ এবং  ৬০০ এর উপরে প্রবন্ধ- নিবন্ধ লিখেছেন তিনি।

গল্প লেখায় যুগান্তর ওয়ালটন সেরা গল্প লেখক,নেদারল্যান্ড এম্বাসি কর্ত্তৃক সেরা গল্প লেখক পুরস্কার হিসেবে ল্যাপটপ পুরস্কার, শিশু ও নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জেলার সেরা জয়িতা নির্বাচন, ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ থেকে সেরা শিক্ষক সম্মাননা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পুরস্কার,,সার্ক পত্রলিখনে বাংলাদেশের প্রথম পুরস্কারসহ বহু   জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন তিনি । এ টু আই নির্বাচিত এম্বাসেডর, সেরা নেতৃত্ব, সেরা অনলাইন পারফরমার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। 

শিমুল সুলতানা হেপি বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত সঞ্চালক ও শিক্ষার্থীদের আসর এর নিয়মিত শিক্ষক।শিশু একাডেমির আবৃত্তি প্রশিক্ষক এবং সামাজিক- সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তিনি যুক্ত আছেন ছোটবেলা থেকেই।

 সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবি মো রফিকুল ইসলাম

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান



জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান। তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি তাঁর বিদ্যালয়কে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে। ছাত্র- ছাত্রীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, রিডিং দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিভাবকদের শিক্ষা সচেতনতা তৈরিতে তিনি ব্যাপক অবদান রাখেন। তিনি একজন ধর্মপরায়ণ ও  নীতিবাদী শিক্ষক হিসেবে সর্ব মহলে পরিচিত। বৃটিশ কাউন্সিল এর টিএমটিইর একজন সদস্য ও দক্ষ ইংরেজি প্রশিক্ষক হিসেবে অনেক অবদান রয়েছে তাঁর। 

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবি রফিকুল নাজিম


 


সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলায় কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিশিষ্ট সাহিত্যক একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ছন্দের জাদুকর কবি মো রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিকুল নাজিম। 

প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধ্যানধারণার প্রবক্তা।উপকরণ তৈরিতে তিনি শিক্ষকদের নিয়ে একধাপ এগিয়ে কাজ করেছেন। ইদানিং শুরু করেছেন বাংলা গুরু নামে একটি বিশেষ উদ্ভাবন। এতে শিশুর সাবলীল বাংলা রিডিং দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকদের কাছে। পত্রিকা সম্পাদনা হিসেবে রয়েছে তাঁর বিশেষ খ্যাতি। দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। 

তাঁর একটি অনবদ্য উদ্ভাবন হলো আমার স্বপ্ন। এ উদ্ভাবনী আইডিয়াটি তিনি ২০১৭ সালে গ্রহণ করেন।

পাঠকদের কাছে তাঁর উদ্ভাবনটি উপস্থাপন করা হলো - 

প্রজেক্টঃ #আমার_স্বপ্ন 

উদ্ভাবনের সময়ঃ এপ্রিল -২০১৭।

উদ্ভাবকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,

সহকারী  উপজেলা শিক্ষা অফিসার,

মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 


#উদ্দেশ্যঃ 

ক.সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশা ও তার দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শিশুরা বলতে পারবে।

খ. শিক্ষার্থীরা নিজের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবে।

গ. নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।

ঘ. প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তে শিশুরা আনন্দের সাথে আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে, আনন্দময়, খেলাচ্ছলে শিখবে।


মোট ধাপঃ ৩ টি।


#ধাপ_১ 

শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের উপর ব্যানারে (সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট) সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশাজীবীদের ছবি (যেমনঃ বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকা/ইউনিয়ন/ উপজেলার সুপরিচিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, শিক্ষক, পুলিশ, ব্যারিস্টার, পাইলট, বিজ্ঞানী, নার্স+++ পেশাজীবীদের ছবি দিলে ভালো হবে) ও লেখা থাকবে 'আমি ডাক্তার হবোই', 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবোই।


#ধাপ_১_বাস্তবায়ন_কৌশলঃ

প্রতি শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড/ মেটালিক বোর্ডের উপরে লাগানো 'আমার স্বপ্ন' ব্যানারটির প্রতিটি পেশা সম্পর্কে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রতিক্লাসে একটি করে পেশা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে বলবেন (যেমনঃ ৩য় শ্রেণির বাংলা বিষয়টি পাঠদান কালে শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে 'ডাক্তার' সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরবেন)। এভাবে সবগুলো পেশা সম্পর্কে বলা শেষ হবে।


#ধাপ_২

২য় ধাপে শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের স্বপ্নের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন এবং প্রাপ্ত স্বপ্নের সাথে নামটা এড করে ঐ শিক্ষার্থীকে ডাকবেন। যেমনঃ ডাক্তার যুনাইরা, ইঞ্জিনিয়ার রাতিন, শিক্ষক রামিম........।


#ধাপ_২_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ ৪র্থ শ্রেণির রোলনং ১৯ মিথিলা কে সহকারী শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস প্রশ্ন করলেন, 'মিথিলা, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?' মিথিলা উত্তর দিলো, 'আমি ডাক্তার হতে চাই।' তখন থেকে শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস শিক্ষার্থী মিথিলাকে 'ডাক্তার মিথিলা' বলে সবসময় শ্রেণিতে সম্বোধন করবেন।এতে শিক্ষার্থী মিথিলা মানসিকভাবে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে কল্পনা করতে থাকবে।


#ধাপ_৩ 

সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার শেষ ক্লাসে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শ্রেণি শিক্ষকের নেতৃত্বে প্রতি সপ্তাহে স্বপ্ন ভিত্তিক দল করে একটা নির্দিষ্ট পেশা নিয়ে #অভিনয় করাবেন।


#ধাপ_৩_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ মাধবপুর সপ্রাবি এর ৪র্থ শ্রেণির ৬৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডাক্তার হতে চেয়েছে ০৮ জন। এই ০৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শ্রেণিতে 'ডাক্তার' বিষয়ক একটা নাটিকা মঞ্চস্থ করবে। যারা ডাক্তার হতে চেয়েছে তারাই অভিনয়ে অংশগ্রহন করবে।

যেমনঃ অক্টোবর মাসের ২য় বৃহস্পতিবার ৪র্থ শ্রেণির ০৮ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫/১০ মিনিটের একটা নাটিকা মঞ্চায়ন করবেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের মনে 'আমার স্বপ্ন' দীর্ঘস্থায়ীত্ব পাবে। তবে উল্লেখ থাকে যে, নাটিকায় প্রতিটি পেশার সাথে যায় এমন মানবিক দৃশ্যেরও অবতারণা করবেন। ( যেমনঃ একজন ডাক্তারের কাছে গরিব রোগী আসলে ডাক্তার মানবিক বিবেচনায় ফ্রি সেবা প্রদান করার মতো দৃশ্যও নাটিকায় থাকবে)


শিখনফলঃ

১.১. শিক্ষার্থীরা নিজেদের মনে লালিত একটা স্বপ্নের কথা বলতে পারবে।

১.২. শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্নের ভালো দিক গুলো উপস্থাপন করতে পারবে।

১.৩. শিক্ষার্থীদের মানসপটে জীবনের লক্ষ্য চিরন্তন আসন পেতে বসবে।

১.৪. নিজেকে যেকোন জায়গায় ভয়ভীতি ও জড়তামুক্ত হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।


সবার সার্বিক কল্যাণ ও শুভ কামনা জানাচ্ছি। 

প্রতিটি শিশু হোক সুরভিত ফুল।

পৃথিবীটা হোক ফুলের স্নিগ্ধ মালা।


ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও নিজ বিদ্যালয়ে স্থাপন করুন।


এগিয়ে যাক প্রাথমিক শিক্ষা, 

এগিয়ে যাবেই বাংলাদেশ।

আমরা করবো জয় ✌

সূত - রফিকুল নাজিম স্যারের ফেইসবুক আইডি থেকে 

জাতীয় মসজিদের খতিব ইসলামিক স্কলার মুফতি আবদুল মালেক  



জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম  এর খতিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ। তিনি ২৯ আগস্ট ১৯৬৯ সালে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন

বাকি অংশটুকু পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...