Skip to main content

ইনোভেটর শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর রায়হানা হক


 ২০১৮ সালের জুনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী ইনোভেশন সোকেশিংয়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে এটুআইর কর্মকর্তাগণ সফল উদ্ভাবনের অনেক গল্প তুলে ধরেন।এটুআই থেকে ইনোভেশন স্পেশালিষ্ট ও কনসালটেন্টগণের মধ্যে মানিক মাহমুদ স্যার, জিয়াউল স্যার,সাধন স্যার,অশোক স্যার ও রফিকুল ইসলাম সুজন স্যার উপস্থিত ছিলেন। সরকারি দপ্তর গুলোতে যারা আইডিয়া নিয়ে  কাজ করেন তাদেরকে পথপ্রদর্শন করাই এটুআইর ইনোভেশন টিমের কাজ।সেদিন রফিকুল ইসলাম সুজন স্যার প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের একটি প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন। সেখানে বাঁশগাড়ি ১  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হানা হক এবং ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক দিলরুবা সুলতানা ম্যাডামদ্বয়ের কিছু উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করেন।সেই থেকে এ দু'টো নামের সাথে আমার পরিচয়। 

২০১৮ সালের অক্টোবরের দিকে শ্রীমঙ্গলে মহসীন আলী অডিটোরিয়ামে  আয়োজিত অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক সম্মেলনে সারাদেশের আইসিটি আইকনবৃন্দ উপস্থিত হন।সেখানে  রায়হানা আপার সাথে আমার পরিচয় হয়।প্রথম সাক্ষাতেই আমি বুঝতে পারি সুজন স্যারের উপস্থাপিত এবং বাস্তবের রায়হানা আপা এক। প্রচন্ড উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী  ও অদম্য মেধাবী শিক্ষক তিনি । সম্মেলনে সেশন চলাকালীন সময়ে  আমি তাঁর সাথে খুব একটা কথা বলতে পারিনি।  গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শোনায় সবাই ব্যাস্ত ছিলাম।  প্রতিটি উপস্থাপনা ছিল অসাধারণ। দুপুরের খাবারের বিরতিতে কাছের টেবিলে বসার সুবাদে সংক্ষেপে দিকনির্দেশনামূলক কিছু  কথা তিনি আমাকে বলেন। এরপর দীর্ঘদিন তাঁর সাথে আমার আর দেখা হয়নি। 





২০১৯ সালে এপ্রিলের ১ তারিখ ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এটুআই এর উদ্যোগে প্রাথমিক অ্যাম্বাসেডরদের এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।তখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অ্যাম্বাসেডর মাত্র ১১৮ জন।সেখান থেকে বাছাই করে ৩০ জনকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমার সৌভাগ্য যে সেখানে আমিও  ছিলাম। সেখানে রায়হানা আপা,দিলরুবা আপা,লিপা দিদি ও ইসমাইল স্যারের সাথে সাক্ষাৎ হয়। রায়হানা আপা অনলাইনে মূল্যায়ন সম্পর্কে অনেক সুন্দর আলোচনা তুলে ধরেন। 



ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের একজন দক্ষ শিক্ষক অনেক আগে থেকেই ছিলেন রায়হানা আপা। 

সারাবিশ্বের শিক্ষকদের একটি বিশাল নেটওয়ার্কের সাথে  অনেক দিন ধরেই তিনি যুক্ত আছেন। মাইক্রোসফট টিমস,ম্যাসেঞ্জার,জুম, গুগল মিট দ্বারা পাঠদানের জন্য তিনি অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি একাধারে সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা, সের ভার্চুয়াল শিক্ষক এবং সেরা পেডাগোজির রূপকার।বৃটিশ কাউন্সিলের স্কুল অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। তাঁর জন্য শুভকামনা নিরন্তর।

Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...