হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মো: শরীফুল ইসলাম। তিনি তাঁর উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল দক্ষতার দ্বারা শিক্ষা ক্ষেত্রে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছেন। প্রাথমিক শিক্ষায় যোগদানের পরেই একের পর এক উদ্ভাবন নিয়ে এসেছেন তিনি। প্রারম্ভিক পর্যায়ে অনেকেই ভেবেছিলেন এসব উদ্ভাবন খুব একটা ভালো ফলাফল বয়ে আনবেনা। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই পাল্টে যায় ধারণা। অদম্য এ স্বপ্নদ্রষ্টার হাত ধরে পাল্টে যেতে থাকে গতানুগতিক শিশু শিক্ষার পরিস্থিতি। অভূতপূর্ব সাড়া পরে যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে। বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাগ্রত হয় নব উদ্যম।গড়ে উঠে শত শত রঙিন স্কুল। একদল স্বপ্নের রূপকার তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করে গড়ে তুলে স্বপ্নের বিদ্যালয়। 'আমার স্বপ্ন আমার বিদ্যালয়' থিমটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে প্রাথমিক শিক্ষা ভুবনে। শিক্ষার্থীর দৈহিক, মানসিক নৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্বিক বিকাশ সাধনের জন্য এ থিমটি অনন্য রোল মডেল। মডেলটির রূপকার শিক্ষা অফিসার মো শরীফুল ইসলাম সকল মহলে প্রশংসিত হন। বিভিন্ন সংস্থা ও গণমাধ্যম কর্মীরা তাঁর আইডিয়াগুলো প্রচার শুরু করে। তিনি তাঁর অসাধারণ উদ্ভাবন, সততা ও কর্তব্য নিষ্ঠার কারণে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদকে ভূষিত হন। সেরা উদ্ভাবকের স্বীকৃতি লাভ করেন তিনি। বিভিন্ন বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি অর্জনের পর আরো গতি লাভ করে তাঁর উদ্ভাবনী শক্তি। অনলাইনে স্বল্প খরচে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন আইসিটি ভিত্তিক উদ্ভাবন করে শিক্ষা বিভাগে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি মাধবপুর উপজেলার নজরপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক ও মাতৃক উভয় দিক দিয়েই তিনি সৃজনশীল ও ধার্মিক পরিবারের গর্বিত সন্তান।
শিক্ষা,সাহিত্য ও বিনোদন বিষয়ক একটি মিডিয়া (পরীক্ষামূলক সংস্করণ)

Comments
Post a Comment