রমজান মাসে বেশির ভাগ সময় আমার মনে কারবালার শহীদগণের কথা ভেসে উঠে । আমি ধার্মিক না। তবু ইমাম হাসান ও হোসাইনকে( রা) আমি ভালো বাসি। আমি বিশ্বাস করি তাঁদের প্রতি হৃদয়ে মহব্বত না থাকলে রাসুলের (সা) প্রতি আমার ইমান পূর্ণ হবেনা। রাসুল (সা) আমার শাফায়াত করবেন না।
প্রাণাধিক প্রিয় নবিজীর(সা) নাতি হযরত হোসাইন (রা) সহ তাঁর পরিবার পরিজনদের শহীদ করে ইয়াজিদ ও তাঁর বাহিনী যে নিষ্ঠুরতম আত্মার পরিচয় দিয়েছে তা আমাকে খুবই কাঁদায়। কারবালার শহীদদের শিরমোবারক বর্শায় বিদ্ধ করে কুফার মসজিদে নামাজ পড়েছিল ইয়াজিদের প্রেতাত্মারা। তাঁরা কোন নামাজ পড়েছিল? নামাজে বসা অবস্থায় যখন দুরুদ শরীফ পড়েছিল তখন অলা আলি মুহাম্মদ (সা) বলতে তারা কাদের কথা আল্লাহ পাককে বলেছিল? এদিকে নবীর বংশধরদের সাথে কিরূপ আচরণ করছিল? তারা যে ইসলামের মুখোশ পরে ইসলামের মূলেই কুঠারাঘাত করেছিল তা কে না জানে? ইসলামকে ধ্বংসের অপচেষ্টা করেছিল তারা। কিন্তু ইসলাম সেদিন আরো শক্তিশালী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
ইয়াজিদীদের পরিহিত মুখোশ নিয়ে আমি চিন্তা করতে থাকি।
হঠাৎ ফেসবুকে চোখ বুলাতে গিয়ে ইত্তেফাকের অনুশীলন বিভাগের আক্তার সাহেবের ওয়ালে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়ের বদলির খবরটি আমার চোখে পড়ে। আফসোসে খুব আপ্লূত হই। আমি তখন ভাবি -স্যারের কোনো মুখোশ ছিলোনা। তাঁর ভেতর ও বাহিরের রূপ একই ছিল। মুখে একটা আর কাজে অন্যটা- এমনটা তিনি কখনো সহ্য করতেন না। তাঁর ছিল নিখাদ দেশপ্রেম, শিশু প্রেম । ন্যায় ও সত্যের ঝান্ডাবাহক তিনি। আমার দু:খ এখানেই স্যারকে চিনতে আমার অনেক দেরী হয়ে গিয়েছিল।স্যারের কাছে আমি বিশেষভাবে ক্ষমা ও দোয়াপ্রার্থী।

Comments
Post a Comment