Skip to main content

মীনা দিবসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মহোদয় যে বিষয়গুলো আলোকপাত করেছেন

 


গত ২৪ সেপ্টেম্বর মীনা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান মহোদয় বলেছেন, 'প্রতিটি শিশুর কাছে মীনা একটি শক্তি, সাহস ও প্রেরণার প্রতীক; যে সব বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে শিক্ষার আলোর পথে ছুটে চলে। কারণ শিক্ষাই তাকে দেবে কাংখিত মুক্তি; পূরণ করবে অগুনতি স্বপ্ন। আর শিক্ষার আলোয় প্রতিগৃহ রাঙাতে কাজ করছে সরকার।'

তিনি বলেন, 'মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রধানতম হাতিয়ার শিক্ষা। শিশুদের জন্য আলোকিত আগামী নির্মাণ করতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে জাতির ভিত গড়ার কাজ করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।'

 গত ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা পিটিআইতে মীনা দিবস-২০২২ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর  কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে সচিব এসব কথা বলেন। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দীলিপ বণিক প্রমুখ। 

প্রতিবছর ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফ ঘোষিত মীনা দিবস বাংলাদেশে  পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল  'নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা'। 

মীনা দিবসের স্লোগানগুলো ছিল  "মানসম্মত শিক্ষা পেতে,  স্কুলে রোজ হবে যেতে""স্বাস্থ্যবিধি মানবো, কোভিডমুক্ত থাকবো""বিদ্যালয়ে সুরক্ষিত পরিবেশ,  মানসম্মত শিক্ষায় আনন্দের রেশ" "বিদ্যালয়ে আনন্দদায়ক পরিবেশ',  ''মানসম্মত শিক্ষা পাবে ছাত্রছাত্রী নির্বিশেষ""প্রতিদিন স্কুলে যাই,লেখা পড়ায় বিভেদ নাই " ইত্যাদি। 

মীনা দিবস উপলক্ষে র‍্যলী,আলোচনা সভা, মেলা, পাপেট শো, গল্প বলা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা  অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

Comments

সাম্প্রতিক খবর

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।   তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে ।  তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়।  ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন...