দিনাজপুরের কবি মেহনাজ পারভীনের মূল পেশা হলো শিক্ষকতা। তিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষক। তাঁর রয়েছে একটি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি যা দিয়ে তিনি পড়তে পারেন শিশুর মনের অভিব্যাক্তি। তাই তিনি শিশু বান্ধব এবং ওদের প্রিয় ব্যাক্তিত্ব।
তাঁর লিখিত কয়েকটি বই আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। তিনি তাঁর লিখনীতে তুলে ধরেছেন সমাজের বাস্তবতা। স্বাধীনতার চেতনায় তিনি দীপ্তিময় এক অসাধারণ সাহিত্য রচয়িতা, সংস্কৃতি কর্মী ও শিক্ষক। তিনি অদম্য সংগ্রামী এক মহান নারী। তাঁর সমাজ পরিবর্তনের কাব্যিক আন্দোলন অগ্রগামী ভূমিকা রেখে চলেছে।
তিনি অনেক কিছু নিয়ে ভাবেন। তিনি যে লেখালেখি করেন তা তাঁর বিদ্যালয়ের শিশুদের উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করে। তাঁর বিদ্যালয় থেকে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড মূল্যায়ন পরীক্ষায় চারজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
তিনি দেয়াল পত্রিকা তৈরি করেছেন তাঁর শিশুদের লেখা নিয়ে। এতে শিশুদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটছে।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে তাঁর ১৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার পেয়েছে।
তিনি একাত্তরের গণহত্যা, নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর গবেষণার জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তিনি পিস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা রেখে চলছেন।সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে তিনি অগ্রগামী এক শিক্ষক।

অসাধারণ
ReplyDelete