বাংলাদেশের একটি নিষিদ্ধ সংগঠনে পরিণত হলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ২৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একে নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করেন।] হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানা ধরনের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, সহিংসতা, জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এক তথ্যে দেখা যায়, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ছাত্রলীগের হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জন নিহত এবং ১,৫০০ জন গুরুতর আহত হয়েছিল। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিলো ১২৯ জনে। বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে । তাদের সন্ত্রাসী হামলায় ২০১৮ সালেই ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি ...
শিক্ষা,সাহিত্য ও বিনোদন বিষয়ক একটি মিডিয়া (পরীক্ষামূলক সংস্করণ)