আপনি শিক্ষক হিসেবে কতটা সৌভাগ্যের অধিকারী? সমাজের একটি বৃহত্তম জনগোষ্ঠী আপনাকে ভালোবাসে এবং শ্রদ্ধা করে। এখনকার উঠতি বয়সের অনেক ছেলে- মেয়েরা সাধারণত আগেকার মতো মন থেকে কাউকেই সম্মান করতে চায়না। ওদের শরীরের অনুভূতিতে ও মন-মগজে থাকে নেতা ভাব। এমন ছেলে-মেয়েরাও আপনাকে দেখলে শিক্ষক হিসেবে শ্রদ্ধা করে,সালাম করে। রাস্তার পাশে আড্ডায় থাকলে সেখান থেকে সড়ে যায়।কোটি টাকার মালিককে দেখলেও এমনটি তারা করেনা।
হতে পারে শিক্ষক হিসেবে আপনার আর্থিক অস্বচ্ছলতা সীমা অতিক্রম করেছে। আপনি দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে জীবনযাপন করছেন। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে চড়া বাজারের যাঁতাকলে পরে আপনি খুবই কষ্টে আছেন। তবে একথা সূর্যালোকের মত স্পষ্ট যে -আপনি জাতির গর্বের সন্তান। আপনি জাতির নির্মাতা।
এলাকায় একজন সরকারি আমলা থাকলে তাকে চিনেন শিক্ষিত ও সচেতন মহল। কিন্তু, একেবারে সাধারণ পর্যায়ের পাবলিক সহ সবাই যাকে এলাকাতে চিনে তিনি হলেন শিক্ষক। আমার কথা আপনি যাচাই করে দেখতে পারেন।
এলাকাতে আপনাকেই চিনে শুধু তাই নয়।আপনার পরিচয়ে চিনে আপনার সন্তানকে। এমনকি আপনার নামে আপনার নাতি -পতিকেও চিনবে কয়েক দশক পর্যন্ত। এর পর আর কে কাকে মনে রাখে বলুন? কিন্তু আপনার শিক্ষা ও দর্শন ছাত্র থেকে ছাত্র হয়ে টিকে থাকবে পৃথিবী ধ্বংসের পূর্ব পর্যন্ত।
কয়েক দশক পরে যদি আপনার নাম লোকমুখে রেখে যেতে চান তাহলে শিক্ষকতার পাশাপাশি আপনাকে হতে হবে দক্ষ লেখক, কবি, দার্শনিক, আধ্যাত্নিক ব্যক্তি ইত্যাদি। চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের পর মানবকল্যাণ সাধনের মাধ্যমে হতে পারেন প্রথিতযশা রাষ্ট্রচিন্তাবিদ, সমাজসেবক ও রাজনীতিবীদ। আপনার থাকতে হবে নিজস্ব দর্শন। এমন একটি উল্লেখযোগ্য কাজ করতে হবে যেন অতীতে এমন দৃষ্টান্ত আর কেউ স্থাপন করতে পারেন নি।
শিক্ষক হিসেবে আপনার নাম কয়েক দশক পরে না থাকলেও আপনার চিন্তা ও দর্শন লালিত হবে আজন্মকাল। এটাইতো বড় অর্জন।
কালের গর্ভে হারিয়ে যায় সবই।নাম, কাম,যশ সবই একদিন বিলুপ্ত হবে। আপনি যে এই পৃথিবীর একজন বাসিন্দা ছিলেন আগামী পৃথিবীর কারো কল্পনাতেই হয়তোবা থাকবেনা। এভাবেই সভ্যতার পর সভ্যতার, রাজত্বের পর রাজত্বের, ব্যক্তির পর ব্যক্তির বিলুপ্তি ঘটছে।আজকে যে লেখকের লেখা নিয়ে শত বছর ধরে আমরা মাতামাতি করছি হয়তো এমন একটি প্রজন্ম আসবে যারা এ লেখকের কোনো খোঁজই রাখবেনা। আজকের সাধারণ পাঠকরা চর্যাপদের লেখক লুইপা, কাহ্নপা,ভুসুকুপার নাম জানেনা। অথচ তাঁরা তাঁদের সময়ে কত জনপ্রিয় ছিলেন! এভাবেই সময় গড়িয়ে যায়।
সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা
বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৌন্দর্যের মহারাণী চিত্র নায়িকা রোজিনা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয়না তাঁর বয়স ত্রিশ - পয়ঁত্রিশ হবে। সদ্য ইউনিভার্সিটি পাশ করা যুবতীর মতো। সৌন্দর্য ও ফিটনেস সচেতন এই মহানায়িকাকে নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন তারকার কথা।
চিত্র নায়িকা রোজিনা ১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম রওশন আরা রেণু।
চিত্র নায়িকা রোজিনার রুপালী পর্দায় পদার্পণে একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে আসার তীব্র বাসনা ছিল তাঁর মনে। কিন্তু কোনো সুযোগ পাচ্ছিলেন না।একদিন সংসদ ভবন এলাকায় একটি ছবির শুটিং হচ্ছিল। তিনি দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। ওই সময় একটি দৃশ্যে ড্রিংকস পরিবেশনের জন্য একজন মেয়ের প্রয়োজন হলে উপস্থিতদের মধ্যে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন। এভাবে রুপালী পর্দায় পদার্পণ করেন তিনি। এরপর তাঁর আগ্রহ, মেধা ও পরিশ্রমে এ পর্যন্ত এসে নিজেকে মহানায়িকা হিসেবে গৌরবময় আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১৯৮৪ সালে ভারত - বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র 'অবিচার ' এ মিঠুন চক্রবর্তীর বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন নায়িকা রোজিনা ।১৯ ৮৬ সালে নায়ক নাদিমের সাথে 'হাম সে হায় জামানা'য় অভিনয় করে নিগার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন তিনি।
চিত্র নায়িকা রোজিনার উল্লেখযোগ্য ছায়াছবি হলো - তীর ভাঙা ঢেউ, মাটির মায়া, হারানো মানিক, শহর থেকে দূরে, আয়না, রাজমহল, শীষ নাগ, সোনার চেয়ে দামী, মাটির মানুষ, অভিমান, স্মৃতি তুমি বেদনা, আখেরী নিশান, হুর এ আরব,আনার কলি, মোকাবেলা, রাজনন্দিনী, রাজকন্যা, শাহী দরবার, গাঁয়ের ছেলে, সংঘর্ষ, আলাদীন আলী বাবা সিন্দাবাদ, আল্লাহ মেহেরবান ইত্যাদি।
দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে তিনি চিত্রনায়ক ওয়াসিম, আলমগীর, সোহেল রানা, জসিম, জাফর ইকবাল, উজ্জ্বল, বুলবুল আহমেদ, মাহমুদ কলির মতো খ্যাতিমান নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি কিংবদন্তী নায়িকা শাবানা ও ববিতার সাথে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।
ভোমরা নিশিতে ফুলের কানে কানে
প্রেমের কথা বলে সংগোপনে,
ফুল ছড়িয়ে ধরে পাপড়ির দল,
ভোমরা চুষে খায় মধুর জল।
ভোমরার ঠোঁটে পরে থাকে ফুলের ঠোঁট,
পাপড়ি নাড়িয়ে ঝাঁকিয়ে হয় মধু লুট।
পৃথিবীর যত জঞ্জাল, যত লেনাদেনা,
মাড়িয়ে আসে মনে তাক ধিন ধিন ধিনা।
কোথায় চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর কে জানে?
নাই, নাই কিছু ফুল আর ভোমরা বিনে,
কে জানে কোথায় আছে ঘাসফড়িং আর প্রজাপতি,
হিসেব নিকেশ নাই কোথায় লাভ ক্ষতি।
সব ভুলে মন খোলে মধু লেনদেন,
আজ আর কে বলে - আমায় ছাড়েন?
মধু শুধু পিয়ে যায় মাতাল যাদু,
উতাল- পাতাল হাওয়ায় দোলে ফুলবধূ।
ঝড়ে নামে প্রেমজ্বালা ভোমরার হোলে,
মনখোলা মায়া উঠে ফুলের কোলে।
চোখে জ্বলা আগুন রাঙায় চরম ফাগুন,
এই প্রেম সেই লাগে, দারুণ! দারুণ!
মরমী শিল্পী ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ এর নতুন গান ‘ আমি কার ভরসায় দেব পারি পুলসেরাতের পুল’তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত হয়েছে। https://fb.watch/sAfWUD2KyE/ এ লিংকে প্রবেশ করলে গানটি দেখতে পাবেন।
আরও পড়ুন:
সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান
আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ
English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে
আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের
বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে
.jpeg)



Comments
Post a Comment