Skip to main content

মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে মায়ের ভূমিকা এবং সেরা মা নির্বাচন

 


শিশুর প্রথম শিক্ষক হচ্ছেন মা।তিনি সচেতন হলে তার সন্তান শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে যায়। তাই শিশুর মা গণের দায়িত্ব ও কর্তব্য অপরিসীম। একটি বিদ্যালয়কে শিখন- শেখানো কার্যক্রম আনন্দময় ও জোরদার করতে হলে মাগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। আর এ জন্য প্রয়োজন নিয়মিত মা সমাবেশের আয়োজন করা। শিশুর মাকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য  ' সেরা মা নির্বাচন ' হতে পারে একটি অন্যতম কৌশল। অনেকেই জানতে চান সেরা মা নির্বাচন করতে কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন।  যে সকল বিষয় বিবেচনা করে সেরা মা নির্বাচন করা যেতে পারে সেগুলো হলোঃ

১.নিজ সন্তানের পরিস্কার - পরিচ্ছন্নতা। 

২.নিজ সন্তানের নিয়মিত বাড়ির কাজ আদায়ে সহযোগিতা। 

৩.নিজ সন্তানের স্কুল ড্রেস ও জুতো  নিশ্চিত করা ও পরিস্কার রাখতে সহযোগিতা করা।

৪. বিদ্যালয়ে আগমন ও খোঁজ খবর। 

৫.নিজ সন্তানের শিষ্টাচার। 

৬. প্রতিবেশীদের সন্তানকে স্কুলে উপস্থিত হতে উদ্বুদ্ধকরণ। 

৭. নিজ সন্তানকে নিজের তৈরি মিডডে মিল/ নাস্তা প্রদান।

৮. বিদ্যালয়ের ক্লাস টেস্টে শতকরা ৯০ ভাগ নাম্বার পাওয়া। 

৯. নিজ সন্তানের বিদ্যালয়ে ৯০ শতাংশ উপস্থিতি। 

১০. বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান।




স্বীকৃতি ও পুরস্কারঃ

প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে সেরা মা নির্বাচন করা যেতে পারে এবং সেরা মা হিসেবে তার নাম ও ছবি ( আপত্তি না থাকলে) দর্শনীয় স্থানে  একটি বোর্ডে প্রদর্শিত হতে পারে । বাৎসরিক অনুষ্ঠান করে সেরা মা গণকে সম্মাননা প্রদান করা যেতে পারে।

ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ, 

সহকারী শিক্ষক, 

আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 


Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...