একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদে সম্প্রদায়ের শিশুদের একীভূত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আহসান।
১১ সেপ্টেম্বর ১নং নোয়াগাঁও সপ্রাবিতে তিনি বেদে পল্লীর শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
তিনি বেদে পল্লী পরিদর্শন করেন এবং বেদেদের খোঁজখবর নেন। একই দিনে বীরসিংহপাড়া সপ্রাবিতে মিড ডে মিলের খাবার ও টিফিন বক্স বিতরণ উপলক্ষে অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি ।
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার এ প্রচেষ্টা মাধবপুর উপজেলাকে অনেকদূর এগিয়ে নেবে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ।
আরও পড়ুন:
সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান
আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ
English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে
আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের
বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে
সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলায় কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিশিষ্ট সাহিত্যক একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ছন্দের জাদুকর কবি মো রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিকুল নাজিম।
প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধ্যানধারণার প্রবক্তা।উপকরণ তৈরিতে তিনি শিক্ষকদের নিয়ে একধাপ এগিয়ে কাজ করেছেন। ইদানিং শুরু করেছেন বাংলা গুরু নামে একটি বিশেষ উদ্ভাবন। এতে শিশুর সাবলীল বাংলা রিডিং দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকদের কাছে। পত্রিকা সম্পাদনা হিসেবে রয়েছে তাঁর বিশেষ খ্যাতি। দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোতে তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। লেখকও পাঠক মহলে তিনি খুব সমাদৃত ব্যাক্তি।
তাঁর একটি অনবদ্য উদ্ভাবন হলো আমার স্বপ্ন। এ উদ্ভাবনী আইডিয়াটি তিনি ২০১৭ সালে গ্রহণ করেন।
পাঠকদের কাছে তাঁর উদ্ভাবনটি উপস্থাপন করা হলো -
প্রজেক্টঃ #আমার_স্বপ্ন
উদ্ভাবনের সময়ঃ এপ্রিল -২০১৭।
উদ্ভাবকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার,
মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
#উদ্দেশ্যঃ
ক.সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশা ও তার দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শিশুরা বলতে পারবে।
খ. শিক্ষার্থীরা নিজের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবে।
গ. নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।
ঘ. প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তে শিশুরা আনন্দের সাথে আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে, আনন্দময়, খেলাচ্ছলে শিখবে।
মোট ধাপঃ ৩ টি।
#ধাপ_১
শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের উপর ব্যানারে (সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট) সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশাজীবীদের ছবি (যেমনঃ বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকা/ইউনিয়ন/ উপজেলার সুপরিচিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, শিক্ষক, পুলিশ, ব্যারিস্টার, পাইলট, বিজ্ঞানী, নার্স+++ পেশাজীবীদের ছবি দিলে ভালো হবে) ও লেখা থাকবে 'আমি ডাক্তার হবোই', 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবোই।
#ধাপ_১_বাস্তবায়ন_কৌশলঃ
প্রতি শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড/ মেটালিক বোর্ডের উপরে লাগানো 'আমার স্বপ্ন' ব্যানারটির প্রতিটি পেশা সম্পর্কে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রতিক্লাসে একটি করে পেশা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে বলবেন (যেমনঃ ৩য় শ্রেণির বাংলা বিষয়টি পাঠদান কালে শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে 'ডাক্তার' সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরবেন)। এভাবে সবগুলো পেশা সম্পর্কে বলা শেষ হবে।
#ধাপ_২
২য় ধাপে শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের স্বপ্নের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন এবং প্রাপ্ত স্বপ্নের সাথে নামটা এড করে ঐ শিক্ষার্থীকে ডাকবেন। যেমনঃ ডাক্তার যুনাইরা, ইঞ্জিনিয়ার রাতিন, শিক্ষক রামিম........।
#ধাপ_২_বাস্তবায়ন_কৌশল
যেমনঃ ৪র্থ শ্রেণির রোলনং ১৯ মিথিলা কে সহকারী শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস প্রশ্ন করলেন, 'মিথিলা, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?' মিথিলা উত্তর দিলো, 'আমি ডাক্তার হতে চাই।' তখন থেকে শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস শিক্ষার্থী মিথিলাকে 'ডাক্তার মিথিলা' বলে সবসময় শ্রেণিতে সম্বোধন করবেন।এতে শিক্ষার্থী মিথিলা মানসিকভাবে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে কল্পনা করতে থাকবে।
#ধাপ_৩
সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার শেষ ক্লাসে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শ্রেণি শিক্ষকের নেতৃত্বে প্রতি সপ্তাহে স্বপ্ন ভিত্তিক দল করে একটা নির্দিষ্ট পেশা নিয়ে #অভিনয় করাবেন।
#ধাপ_৩_বাস্তবায়ন_কৌশল
যেমনঃ মাধবপুর সপ্রাবি এর ৪র্থ শ্রেণির ৬৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডাক্তার হতে চেয়েছে ০৮ জন। এই ০৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শ্রেণিতে 'ডাক্তার' বিষয়ক একটা নাটিকা মঞ্চস্থ করবে। যারা ডাক্তার হতে চেয়েছে তারাই অভিনয়ে অংশগ্রহন করবে।
যেমনঃ অক্টোবর মাসের ২য় বৃহস্পতিবার ৪র্থ শ্রেণির ০৮ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫/১০ মিনিটের একটা নাটিকা মঞ্চায়ন করবেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের মনে 'আমার স্বপ্ন' দীর্ঘস্থায়ীত্ব পাবে। তবে উল্লেখ থাকে যে, নাটিকায় প্রতিটি পেশার সাথে যায় এমন মানবিক দৃশ্যেরও অবতারণা করবেন। ( যেমনঃ একজন ডাক্তারের কাছে গরিব রোগী আসলে ডাক্তার মানবিক বিবেচনায় ফ্রি সেবা প্রদান করার মতো দৃশ্যও নাটিকায় থাকবে)
শিখনফলঃ
১.১. শিক্ষার্থীরা নিজেদের মনে লালিত একটা স্বপ্নের কথা বলতে পারবে।
১.২. শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্নের ভালো দিক গুলো উপস্থাপন করতে পারবে।
১.৩. শিক্ষার্থীদের মানসপটে জীবনের লক্ষ্য চিরন্তন আসন পেতে বসবে।
১.৪. নিজেকে যেকোন জায়গায় ভয়ভীতি ও জড়তামুক্ত হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।
সবার সার্বিক কল্যাণ ও শুভ কামনা জানাচ্ছি।
প্রতিটি শিশু হোক সুরভিত ফুল।
পৃথিবীটা হোক ফুলের স্নিগ্ধ মালা।
ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও নিজ বিদ্যালয়ে স্থাপন করুন।
এগিয়ে যাক প্রাথমিক শিক্ষা,
এগিয়ে যাবেই বাংলাদেশ।
আমরা করবো জয় ✌
সূত - রফিকুল নাজিম স্যারের ফেইসবুক আইডি থেকে
আরও পড়ুন:
সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান
আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ
English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে
আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের
বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে
সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা
বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৌন্দর্যের মহারাণী চিত্র নায়িকা রোজিনা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয়না তাঁর বয়স ত্রিশ - পয়ঁত্রিশ হবে। সদ্য ইউনিভার্সিটি পাশ করা যুবতীর মতো। সৌন্দর্য ও ফিটনেস সচেতন এই মহানায়িকাকে নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন তারকার কথা।
চিত্র নায়িকা রোজিনা ১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম রওশন আরা রেণু।
চিত্র নায়িকা রোজিনার রুপালী পর্দায় পদার্পণে একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে আসার তীব্র বাসনা ছিল তাঁর মনে। কিন্তু কোনো সুযোগ পাচ্ছিলেন না।একদিন সংসদ ভবন এলাকায় একটি ছবির শুটিং হচ্ছিল। তিনি দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। ওই সময় একটি দৃশ্যে ড্রিংকস পরিবেশনের জন্য একজন মেয়ের প্রয়োজন হলে উপস্থিতদের মধ্যে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন। এভাবে রুপালী পর্দায় পদার্পণ করেন তিনি। এরপর তাঁর আগ্রহ, মেধা ও পরিশ্রমে এ পর্যন্ত এসে নিজেকে মহানায়িকা হিসেবে গৌরবময় আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১৯৮৪ সালে ভারত - বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র 'অবিচার ' এ মিঠুন চক্রবর্তীর বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন নায়িকা রোজিনা ।১৯ ৮৬ সালে নায়ক নাদিমের সাথে 'হাম সে হায় জামানা'য় অভিনয় করে নিগার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন তিনি।
চিত্র নায়িকা রোজিনার উল্লেখযোগ্য ছায়াছবি হলো - তীর ভাঙা ঢেউ, মাটির মায়া, হারানো মানিক, শহর থেকে দূরে, আয়না, রাজমহল, শীষ নাগ, সোনার চেয়ে দামী, মাটির মানুষ, অভিমান, স্মৃতি তুমি বেদনা, আখেরী নিশান, হুর এ আরব,আনার কলি, মোকাবেলা, রাজনন্দিনী, রাজকন্যা, শাহী দরবার, গাঁয়ের ছেলে, সংঘর্ষ, আলাদীন আলী বাবা সিন্দাবাদ, আল্লাহ মেহেরবান ইত্যাদি।
দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে তিনি চিত্রনায়ক ওয়াসিম, আলমগীর, সোহেল রানা, জসিম, জাফর ইকবাল, উজ্জ্বল, বুলবুল আহমেদ, মাহমুদ কলির মতো খ্যাতিমান নায়কদের বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি কিংবদন্তী নায়িকা শাবানা ও ববিতার সাথে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।
ভোমরা নিশিতে ফুলের কানে কানে
প্রেমের কথা বলে সংগোপনে,
ফুল ছড়িয়ে ধরে পাপড়ির দল,
ভোমরা চুষে খায় মধুর জল।
ভোমরার ঠোঁটে পরে থাকে ফুলের ঠোঁট,
পাপড়ি নাড়িয়ে ঝাঁকিয়ে হয় মধু লুট।
পৃথিবীর যত জঞ্জাল, যত লেনাদেনা,
মাড়িয়ে আসে মনে তাক ধিন ধিন ধিনা।
কোথায় চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর কে জানে?
নাই, নাই কিছু ফুল আর ভোমরা বিনে,
কে জানে কোথায় আছে ঘাসফড়িং আর প্রজাপতি,
হিসেব নিকেশ নাই কোথায় লাভ ক্ষতি।
সব ভুলে মন খোলে মধু লেনদেন,
আজ আর কে বলে - আমায় ছাড়েন?
মধু শুধু পিয়ে যায় মাতাল যাদু,
উতাল- পাতাল হাওয়ায় দোলে ফুলবধূ।
ঝড়ে নামে প্রেমজ্বালা ভোমরার হোলে,
মনখোলা মায়া উঠে ফুলের কোলে।
চোখে জ্বলা আগুন রাঙায় চরম ফাগুন,
এই প্রেম সেই লাগে, দারুণ! দারুণ!
মরমী শিল্পী ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ এর নতুন গান ‘ আমি কার ভরসায় দেব পারি পুলসেরাতের পুল’তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত হয়েছে। https://fb.watch/sAfWUD2KyE/ এ লিংকে প্রবেশ করলে গানটি দেখতে পাবেন।
আরও পড়ুন:
সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান
আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ
English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে
আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের
বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে






Comments
Post a Comment