Skip to main content

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক লুৎফুন্নাহার তালুকদার


 সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন্নাহার তালুকদার। 


জনাব লুৎফুন্নাহার একজন কাব লিডার ও কাব- স্কাউট প্রশিক্ষক। তাঁর রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে অনেকগুলো উদ্ভাবনী উদ্যোগ। তাঁর উদ্ভাবনী আইডিয়ার কারণে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অনেক পুরস্কার অর্জন করেন। 


জনাব লুৎফুন্নাহার এটু আইর অধীনে আইসিটি ফর এডুকেশন জেলা অ্যাম্বাসেডর,  শিক্ষক বাতায়নের সক্রিয় ও উদ্ভাবনী শিক্ষক। 


তুখোড় মেধাবী এ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদেরকে সহ- পাঠক্রমিক কার্যাবলিতে অংশগ্রহণে উজ্জীবিত করে থাকেন। বিদ্যালয়ে ছাত্র-  ছাত্রীদের আনন্দ ও খেলাচ্ছলে নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষাদানে তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। 


জনাব লুৎফুন্নাহার কাব লিডার বেসিক কোর্সের একজন প্রশিক্ষক হিসেবে  সহকর্মীদের মনে স্থান দখল করে নিয়েছেন। তিনি  বাংলাদেশ স্কাউটস থেকে সিএএলটি কোর্স সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন। 


স্কাউটার লুৎফুন্নাহার শিক্ষক বাতায়নে ১৯৫ টি কন্টেন্ট, ২২৪৭টি ব্লগ, ২৪৩৬ টি ছবি,১০২ টি ভিডিও আগলোড করেন। 


জনাব লুৎফুন্নাহার এস.এস.সি পাশ করেন অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৯ সালে এবং এইচএসসি সম্পন্ন করেন চুনারুঘাট সরকারি কলেজ থেকে ২০০১ এ। তিনি স্নাতক পাশ করেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে ২০১০ সালে এবং মাস্টার্স করেন এম.সি কলেজ থেকে ২০১৪তে।

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, আলহামদুলিল্লাহ!জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক -২০২৪খ্রি. বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় আমি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমাকে মূল্যায়ন করার জন্য।

 সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গ্রেফতার



সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য  জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্দপুর থানা পুলিশ। তাকে ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ডিএমপির মিডায়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ- কমিশনার মো: তালেবুর রহমান  নিশ্চিত করেছেন। বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

শহীদ ফারহান ফাইয়াজকে লেখা খালামণির চিঠি


শহীদ ফারহান ফাইয়াজ ঢাকা রেসিডেন্সয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী। গত ১৮ জুলাই ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে মুক্তিকামী জনতার সাথে যোগ দেন। সকাল সাড়ে এগারোটায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।জন্ম ২০০৬ সালে।শাহাদাতের সময় তাঁর ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি।সদা হাস্যোজ্জ্বল মেধাবী এ শিক্ষার্থীর চেহারায় ছিল খুব লাবণ্য। তাঁর জন্ম দিন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর। এই জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে একটি চিঠি লিখেছেন তাঁর খালামণি।শহীদরা অমর। সেই চিঠি নিশ্চয়ই পৌঁছে গিয়েছে তাঁর কাছে। চিঠিটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো 

প্রিয় ফাইয়াজ,

আব্বা আমার - আমার কলিজা বাচ্চা,আমার চাঁদের টুকরা। কেমন আছো আব্বা? পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকলে আজকে তোমার জন্য একটি বিশেষ দিন ছিল। কত কত স্মৃতি আমাদের। আব্বা আমি জানি তুমি খুব ভালো আছো। আমি তোমার জন্য কান্না করলেই মাহা আমাকে বলে 'মা,  ভাইয়া তো শহীদ, ভাইয়া কত ভালো আছে! তুমি কাঁদো কেন?'


জানো বাবা, সেদিন বাজার  করতে গিয়ে যেই চকোলেট এর শেল্ফ  এর সামনে দিয়ে যাচ্ছি- আমি দেখতে পেলাম ঠিক তুমি দাঁড়িয়ে, আর ক্যাডবেরির একটা বড় Silk এর প্যাকেট আমাকে দেখিয়ে বলছো মুনাম্মা নেই এটা?' বাবা আমি আর চকোলেট কিনি না, মাহা মাইরীন ও আর আবদার করেনা।


সেইদিন মাইরীন মাহাকে বলছে 'জানো মাহা-মা আর কখনও বিরিয়ানি রাধবে না। ভাইয়া যে নাই, তাই।' সত্যিই তো বাবা, আমি কী করে রান্না করবো বলো? তোমাকেই তো খাওয়াতে পারবো না!


আব্বা, আমি কেমন আছি জিজ্ঞেস করবে না? আমি যে কেমন আছি জানি না বাবা- শুধু আমার কিছু ভালো লাগে না। শুধু মনে হয় অনেক দূরে হাঁটতে হাঁটতে কোথাও চলে যেতে পারতাম-। যেখানে কেউ নাই! চুপচাপ।


আমি যখন স্কুলে যাই বা অন্য কাজে ধানমণ্ডি ২৭  নম্বর ক্রস করতে হয়, জানো বাবা আমি পুরোটা রাস্তা চোখ বন্ধ করে থাকি। সিটি হসপিটালের সামনে দিয়ে গেলেও চোখ বন্ধ করে রাখি। মনে হয় কেন আমাকে এসব পথে চলতে হচ্ছে। ধানমণ্ডি ২৭ টা এখন সবচেয়ে বিভীষিকাময় আমার জন্যে।


আচ্ছা বাবা এই যে তোমার জন্মদিন, রোজার ঈদ, কুরবানীর ঈদ, পহেলা বৈশাখ আসবে..- আমি কী করবো বলো তো? আমাদের না একসাথে শপিং এ যাওয়ার কথা! তারপর শপিং শেষে পিৎজ্জ্বা আর কফি খেয়ে রিকশা চড়ে গল্প করতে করতে বাসায় ফেরার কথা!


আমি সারাটা দিন মনে মনে তোমার সাথে কথা বলি, তুমি যে কত কত উপদেশ দাও আমাকে! কত বড় হয়ে গেছো তুমি আব্বা!


জানো বাবা তোমার জন্য যখন দোয়া করি, তখন আমি একটু স্বার্থপর হয়ে যাই। আমি আল্লাহকে বলি, আল্লাহ ফাইয়াজ কি বুঝতে পারছে, ওর জন্য আমি কত কষ্টে আছি? ওকে প্লিজ একটু বলে দিয়েন যে তোমার মুনাম্মা ভালো নাই। তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকা তোমার মুনাম্মার জন্য কঠিন শাস্তি হয়ে যাচ্ছে। আবার মনে হয়, এটা শুনলে হয়তো তোমার মন খারাপ হবে! তখন আবার কথা বদলে ফেলি। শুধু চাই তুমি ভালো থাকো।


তুমি ইনশাল্লাহ অনেক অনেক ভালো আছো। কারণ, যত মানুষ তোমার জন্য কেঁদেছে আর যত লোক তোমার জন্য দোয়া করছে- তুমি নিশ্চয়ই জানতে পারছো। মাতৃভূমির ক্রান্তিলগ্নে যেই ছেলে বীরের মত প্রান দেয়, তাকে কেউ ভালো না বেসে পারে‌ বাবা? সমস্ত পৃথিবী তোমাকে এখন চেনে, আব্বা।


অনেক ভালোবাসি বাবা, অনেক দোয়া রইল। শুভ জন্মদিন বাবা ❤️।


তোমার মুনাম্মা 

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪


আরও পড়ুন:

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান

আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ 

 English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে

আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের

গল্প- ববিটার কথা

বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে


সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবি রফিকুল নাজিম

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলায় কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিশিষ্ট সাহিত্যক একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ছন্দের জাদুকর কবি মো রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিকুল নাজিম। 

প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধ্যানধারণার প্রবক্তা।উপকরণ তৈরিতে তিনি শিক্ষকদের নিয়ে একধাপ এগিয়ে কাজ করেছেন। ইদানিং শুরু করেছেন বাংলা গুরু নামে একটি বিশেষ উদ্ভাবন। এতে শিশুর সাবলীল বাংলা রিডিং দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকদের কাছে। পত্রিকা সম্পাদনা হিসেবে রয়েছে তাঁর বিশেষ খ্যাতি। দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোতে  তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। লেখকও পাঠক  মহলে তিনি খুব সমাদৃত ব্যাক্তি।

তাঁর একটি অনবদ্য উদ্ভাবন হলো আমার স্বপ্ন। এ উদ্ভাবনী আইডিয়াটি তিনি ২০১৭ সালে গ্রহণ করেন।

পাঠকদের কাছে তাঁর উদ্ভাবনটি উপস্থাপন করা হলো - 

প্রজেক্টঃ #আমার_স্বপ্ন 

উদ্ভাবনের সময়ঃ এপ্রিল -২০১৭।

উদ্ভাবকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম,

সহকারী  উপজেলা শিক্ষা অফিসার,

মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 


#উদ্দেশ্যঃ 

ক.সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশা ও তার দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শিশুরা বলতে পারবে।

খ. শিক্ষার্থীরা নিজের জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবে।

গ. নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।

ঘ. প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তে শিশুরা আনন্দের সাথে আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে, আনন্দময়, খেলাচ্ছলে শিখবে।


মোট ধাপঃ ৩ টি।


#ধাপ_১ 

শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ডের উপর ব্যানারে (সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট × প্রস্থ ২ ফুট) সামাজিকভাবে সর্বজন স্বীকৃত পেশাজীবীদের ছবি (যেমনঃ বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকা/ইউনিয়ন/ উপজেলার সুপরিচিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, শিক্ষক, পুলিশ, ব্যারিস্টার, পাইলট, বিজ্ঞানী, নার্স+++ পেশাজীবীদের ছবি দিলে ভালো হবে) ও লেখা থাকবে 'আমি ডাক্তার হবোই', 'আমি ইঞ্জিনিয়ার হবোই।


#ধাপ_১_বাস্তবায়ন_কৌশলঃ

প্রতি শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড/ মেটালিক বোর্ডের উপরে লাগানো 'আমার স্বপ্ন' ব্যানারটির প্রতিটি পেশা সম্পর্কে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রতিক্লাসে একটি করে পেশা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদেরকে বলবেন (যেমনঃ ৩য় শ্রেণির বাংলা বিষয়টি পাঠদান কালে শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে 'ডাক্তার' সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরবেন)। এভাবে সবগুলো পেশা সম্পর্কে বলা শেষ হবে।


#ধাপ_২

২য় ধাপে শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের স্বপ্নের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন এবং প্রাপ্ত স্বপ্নের সাথে নামটা এড করে ঐ শিক্ষার্থীকে ডাকবেন। যেমনঃ ডাক্তার যুনাইরা, ইঞ্জিনিয়ার রাতিন, শিক্ষক রামিম........।


#ধাপ_২_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ ৪র্থ শ্রেণির রোলনং ১৯ মিথিলা কে সহকারী শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস প্রশ্ন করলেন, 'মিথিলা, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?' মিথিলা উত্তর দিলো, 'আমি ডাক্তার হতে চাই।' তখন থেকে শিক্ষক প্রতিমা রাণী বিশ্বাস শিক্ষার্থী মিথিলাকে 'ডাক্তার মিথিলা' বলে সবসময় শ্রেণিতে সম্বোধন করবেন।এতে শিক্ষার্থী মিথিলা মানসিকভাবে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে কল্পনা করতে থাকবে।


#ধাপ_৩ 

সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার শেষ ক্লাসে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শ্রেণি শিক্ষকের নেতৃত্বে প্রতি সপ্তাহে স্বপ্ন ভিত্তিক দল করে একটা নির্দিষ্ট পেশা নিয়ে #অভিনয় করাবেন।


#ধাপ_৩_বাস্তবায়ন_কৌশল

যেমনঃ মাধবপুর সপ্রাবি এর ৪র্থ শ্রেণির ৬৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডাক্তার হতে চেয়েছে ০৮ জন। এই ০৮ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শ্রেণিতে 'ডাক্তার' বিষয়ক একটা নাটিকা মঞ্চস্থ করবে। যারা ডাক্তার হতে চেয়েছে তারাই অভিনয়ে অংশগ্রহন করবে।

যেমনঃ অক্টোবর মাসের ২য় বৃহস্পতিবার ৪র্থ শ্রেণির ০৮ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫/১০ মিনিটের একটা নাটিকা মঞ্চায়ন করবেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের মনে 'আমার স্বপ্ন' দীর্ঘস্থায়ীত্ব পাবে। তবে উল্লেখ থাকে যে, নাটিকায় প্রতিটি পেশার সাথে যায় এমন মানবিক দৃশ্যেরও অবতারণা করবেন। ( যেমনঃ একজন ডাক্তারের কাছে গরিব রোগী আসলে ডাক্তার মানবিক বিবেচনায় ফ্রি সেবা প্রদান করার মতো দৃশ্যও নাটিকায় থাকবে)


শিখনফলঃ

১.১. শিক্ষার্থীরা নিজেদের মনে লালিত একটা স্বপ্নের কথা বলতে পারবে।

১.২. শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্নের ভালো দিক গুলো উপস্থাপন করতে পারবে।

১.৩. শিক্ষার্থীদের মানসপটে জীবনের লক্ষ্য চিরন্তন আসন পেতে বসবে।

১.৪. নিজেকে যেকোন জায়গায় ভয়ভীতি ও জড়তামুক্ত হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে।


সবার সার্বিক কল্যাণ ও শুভ কামনা জানাচ্ছি। 

প্রতিটি শিশু হোক সুরভিত ফুল।

পৃথিবীটা হোক ফুলের স্নিগ্ধ মালা।


ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও নিজ বিদ্যালয়ে স্থাপন করুন।


এগিয়ে যাক প্রাথমিক শিক্ষা, 

এগিয়ে যাবেই বাংলাদেশ।

আমরা করবো জয় ✌

সূত - রফিকুল নাজিম স্যারের ফেইসবুক আইডি থেকে

আরও পড়ুন:

আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ 

 English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে

আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের

গল্প- ববিটার কথা

বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে

দিলরুবা মেডামের সফলতার গল্প


এমন কোনো আইসিটি শিক্ষক পাওয়া যাবেনা যিনি দিলরুবা ম্যাডামকে চিনেন না। শিক্ষকদের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন হলেন রাজশাহীর  ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খানম। তিনি অনেকগুলো ক্ষেত্রে  সেরা। এমনকি সেরাদেরও সেরা। আইসিটি আইকন এ পথপ্রদর্শকের উদ্যোগের কারণে কয়েক লক্ষ শিক্ষক আজ একটি প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছে। তাঁর চিন্তা ও দর্শন লালিত হচ্ছে অনেক শিক্ষকের মনে। স্বপ্নের স্কুল গড়ি আন্দোলনে তিনি পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যে অবদান রেখেছেন তা শিক্ষার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বকি অংশটুকু পড়তে এখানে ক্লিক করুন


Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...