Skip to main content

শিক্ষক কেন উপকরণ তৈরি করবেন

 


একটি পাঠকে প্রাণবন্ত, উৎসবমুখর ও বোধগম্য করার জন্য পাঠসংশ্লিষ্ট উপকরণ ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করে থাকেন। 

উপকরণ হবে সুলভ বস্তু দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ হাতের নাগালের সহজলভ্য ও বিনামূল্যের বস্তু দিয়ে উপকরণ তৈরির চেষ্টা করতে হবে। তবে উপকরণ তৈরির জন্য শিক্ষককে আন্তরিকতার অধিকারী হতে হবে। 


শিক্ষক প্রথমেই পাঠ্যাংশ মনোযোগ দিয়ে পড়ে তাতে কী উপকরণ ব্যবহার করবেন তা নির্ধারণ করে থাকেন। পূর্বে উপকরণগুলো প্রস্তুত থাকলে সেগুলো ব্যবহার করা যায়। অথবা কোনো উপকরণ আপডেট করা বা নতুনভাবে তৈরি করার প্রয়োজন হলে তা করতে পারেন। 

শিক্ষকগণ উপকরণ তৈরির কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই অংকন বিদ্যা বা বিভিন্ন বস্তু তৈরিতে শিক্ষকদের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। তাদেরকে কাঁচামাল সরবরাহ করে দিলে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে অনেকগুলো উপকরণ তৈরি করে জমা দিতে পারবে।বাড়ির কাজ হিসেবে উপকরণ তৈরির কাজ দেয়া যেতে পারে। 

উপকরণ তৈরি করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা অনেককিছু শিখে ফেলবে। তবে অনেক উপকরণ যেগুলো ছাত্র- শিক্ষক দ্বারা তৈরি করা যাবেনা সেগুলো ক্রয় করতে হবে। 


বছরের শেষের দিকে সাধারণত ডিসেম্বরে পাঠ কার্যক্রমের চাপ অনেক কম থাকে। এ সময় বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ও উপকরণ তৈরির একটি উপযুক্ত সময়। শিক্ষকগণ বিষয়ভিত্তিক উপকরণ দিয়ে একটি উপকরণ কর্ণার গড়ে তুলতে পারেন। এজন্য প্রয়োজন সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা।

 বিদ্যালয়ের কাজ মূলত টিমভিত্তিক। সকল শিক্ষক সম্মিলিতভাবে কাজ করলে একটি বিদ্যালয়ের চেহারা পাল্টে দেওয়া কোনো ব্যপার নয়।


ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ 

সহকারী শিক্ষক 

আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর, হবিগঞ্জ। 

০১৭১৯৩৩৩৮৬৩

Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...