Skip to main content

Posts

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক লুৎফুন্নাহার তালুকদার

 সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন্নাহার তালুকদার।  জনাব লুৎফুন্নাহার একজন কাব লিডার ও কাব- স্কাউট প্রশিক্ষক। তাঁর রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে অনেকগুলো উদ্ভাবনী উদ্যোগ। তাঁর উদ্ভাবনী আইডিয়ার কারণে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অনেক পুরস্কার অর্জন করেন।  জনাব লুৎফুন্নাহার এটু আইর অধীনে আইসিটি ফর এডুকেশন জেলা অ্যাম্বাসেডর,  শিক্ষক বাতায়নের সক্রিয় ও উদ্ভাবনী শিক্ষক।  তুখোড় মেধাবী এ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদেরকে সহ- পাঠক্রমিক কার্যাবলিতে অংশগ্রহণে উজ্জীবিত করে থাকেন। বিদ্যালয়ে ছাত্র-  ছাত্রীদের আনন্দ ও খেলাচ্ছলে নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষাদানে তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন।  জনাব লুৎফুন্নাহার কাব লিডার বেসিক কোর্সের একজন প্রশিক্ষক হিসেবে  সহকর্মীদের মনে স্থান দখল করে নিয়েছেন। তিনি  বাংলাদেশ স্কাউটস থেকে সিএএলটি কোর্স সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন।  স্কাউটার লুৎফুন্নাহার শিক্ষক বাতায়নে ১৯৫ টি কন্টেন্ট, ২২৪৭টি ব্লগ, ২৪৩৬ টি ছবি,১০২ টি ভিড...

সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গ্রেফতার

  সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য  জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্দপুর থানা পুলিশ। তাকে ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ডিএমপির মিডায়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ- কমিশনার মো: তালেবুর রহমান  নিশ্চিত করেছেন।   নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২০০৮ সালে প্রথমবার কুড়িগ্রাম -৪ আসন থেকে  সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১৮ সালে একই আসন থেকে পূণরায় নির্বাচিত হয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।  জাকির হোসেন ২ জুলাই ১৯৬৬ সালে  কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সামসুল হক এবং মাতার নাম  জুলেখা বানু। তার স্ত্রী মোছাঃ সুরাইয়া সুলতানা।  তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। চিলমারীর থানাহাট এ.ইউ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি মাধ্যমিক এবং রাজাহাট মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। হাতিবান্ধা আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ থেকে তিনি স্নাতক  ডিগ্রী  পাশ করেন এবং  রংপুর আইন মহাবিদ্য...

সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা

  বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৌন্দর্যের মহারাণী চিত্র নায়িকা রোজিনা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয়না তাঁর বয়স ত্রিশ - পয়ঁত্রিশ হবে। সদ্য ইউনিভার্সিটি পাশ করা যুবতীর মতো। সৌন্দর্য ও ফিটনেস সচেতন এই মহানায়িকাকে নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন তারকার কথা।  চিত্র নায়িকা রোজিনা ১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম রওশন আরা রেণু।  চিত্র নায়িকা রোজিনার রুপালী পর্দায় পদার্পণে একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে আসার তীব্র বাসনা ছিল তাঁর মনে। কিন্তু কোনো সুযোগ পাচ্ছিলেন না।একদিন সংসদ ভবন এলাকায় একটি ছবির শুটিং হচ্ছিল। তিনি দাঁড়িয়ে দেখছিলেন। ওই সময় একটি দৃশ্যে ড্রিংকস পরিবেশনের জন্য একজন মেয়ের প্রয়োজন হলে উপস্থিতদের মধ্যে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন। এভাবে রুপালী পর্দায় পদার্পণ করেন তিনি। এরপর তাঁর আগ্রহ, মেধা ও পরিশ্রমে এ পর্যন্ত এসে নিজেকে মহানায়িকা হিসেবে গৌরবময় আসনে  প্রতিষ্ঠিত করেছেন।  ১৯৮৪ সালে ভারত - বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র 'অবিচার ' এ মিঠুন চক্রবর্তীর বিপরীতে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দেন নায়িকা রোজিনা...

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

  বাংলাদেশের একটি নিষিদ্ধ সংগঠনে পরিণত হলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।  ২৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একে নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করেন।]  হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানা ধরনের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, সহিংসতা, জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে।  এক তথ্যে দেখা  যায়, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ছাত্রলীগের হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জন নিহত এবং ১,৫০০ জন গুরুতর আহত হয়েছিল। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিলো ১২৯ জনে।  বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার সম্পৃক্ততার অভিযোগ  রয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ।  তাদের সন্ত্রাসী হামলায় ২০১৮ সালেই ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। নিষিদ্ধ  ঘোষিত জঙ্গি ...

শহীদ ফাইয়াজকে নিয়ে লেখা যে চিঠিতে চোখে জল আসে

  শহীদ ফারহান ফাইয়াজ ঢাকা রেসিডেন্সয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী। গত ১৮ জুলাই ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে মুক্তিকামী জনতার সাথে যোগ দেন। সকাল সাড়ে এগারোটায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।জন্ম ২০০৬ সালে।শাহাদাতের সময় তাঁর ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি।সদা হাস্যোজ্জ্বল মেধাবী এ শিক্ষার্থীর চেহারায় ছিল খুব লাবণ্য। তাঁর জন্ম দিন ছিল ১২ সেপ্টেম্বর। এই জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে একটি চিঠি লিখেছেন তাঁর খালামণি।শহীদরা অমর। সেই চিঠি নিশ্চয়ই পৌঁছে গিয়েছে তাঁর কাছে। চিঠিটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো  প্রিয় ফাইয়াজ, আব্বা আমার - আমার কলিজা বাচ্চা,আমার চাঁদের টুকরা। কেমন আছো আব্বা? পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকলে আজকে তোমার জন্য একটি বিশেষ দিন ছিল। কত কত স্মৃতি আমাদের। আব্বা আমি জানি তুমি খুব ভালো আছো। আমি তোমার জন্য কান্না করলেই মাহা আমাকে বলে 'মা,  ভাইয়া তো শহীদ, ভাইয়া কত ভালো আছে! তুমি কাঁদো কেন?' জানো বাবা, সেদিন বাজার  করতে গিয়ে যেই চকোলেট এর শেল্ফ  এর সামনে দিয়ে যাচ্ছি- আমি দেখতে পেলাম ঠিক তুমি দাঁড়িয়ে, আর ক্যাডবেরির একটা বড় Silk এর প্যাকেট আমাকে দেখিয়ে বলছো মুনাম্মা নেই এটা?' বাবা আমি আর চকোলেট কিনি না, মাহা মা...

কবিতা - মধু লেনদেন

  ভোমরা নিশিতে ফুলের কানে কানে  প্রেমের কথা বলে সংগোপনে, ফুল ছড়িয়ে ধরে পাপড়ির দল, ভোমরা চুষে খায় মধুর জল।  ভোমরার ঠোঁটে পরে থাকে ফুলের ঠোঁট,  পাপড়ি নাড়িয়ে ঝাঁকিয়ে হয় মধু লুট। পৃথিবীর যত জঞ্জাল, যত লেনাদেনা,  মাড়িয়ে আসে মনে তাক ধিন ধিন ধিনা। কোথায় চন্দ্র, সূর্য, সাগর, মহাসাগর কে জানে?  নাই, নাই  কিছু ফুল আর ভোমরা বিনে, কে জানে কোথায় আছে ঘাসফড়িং আর প্রজাপতি,  হিসেব নিকেশ নাই কোথায় লাভ ক্ষতি। সব ভুলে মন খোলে মধু লেনদেন,  আজ আর কে বলে - আমায় ছাড়েন?  মধু শুধু পিয়ে যায় মাতাল যাদু, উতাল- পাতাল হাওয়ায় দোলে ফুলবধূ। ঝড়ে নামে প্রেমজ্বালা ভোমরার হোলে,  মনখোলা মায়া উঠে ফুলের কোলে।  চোখে জ্বলা আগুন রাঙায় চরম ফাগুন,  এই প্রেম সেই লাগে, দারুণ! দারুণ! আরও পড়ুন: সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ    English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের গল্প- ববিটার কথা বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি

বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিমুল সুলতানা হেপি।   তিনি একাধারে শিক্ষক, আবৃত্তিকার, বেতারের  নিয়মিত সঞ্চালক ও লেখক। ২০১১ সালেও বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন তিনি । তাঁর নেতৃত্বে বিভাগে ২০১৬ সালে সেরা নির্বাচিত হয় কীর্ত্তিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঝরে পড়া রোধে এ বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে  বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ এবং   জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়  স্থান অর্জন করে ২০২২ সালে ।  তিনি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন ২০০৬ সালে।তবে বর্তমান বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ২০১১ সালে।ক্রীড়া, কাবিং,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুরা প্রায় ২২ টি পুরস্কার অর্জন করেছে।এ বিদ্যালয়টি ফুটবলে বিভাগের রানার্স আপ এবং শাপলা কাব এওয়ার্ড অর্জন করে ২০ টি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে সাহিত্য, সংস্কৃতিসহ সকল চর্চায় সাফল্য ঈর্ষণীয়।  ইনোভেশন শোকেসিং  ২০২৩, ২০২৪ এ বিভাগের সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হয়ে শিমুল সুলতানা হেপি জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেন এবং  জন...

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান

  জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার নরপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান। তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি তাঁর বিদ্যালয়কে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে। ছাত্র- ছাত্রীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, রিডিং দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিভাবকদের শিক্ষা সচেতনতা তৈরিতে তিনি ব্যাপক অবদান রাখেন। তিনি একজন ধর্মপরায়ণ ও  নীতিবাদী শিক্ষক হিসেবে সর্ব মহলে পরিচিত। বৃটিশ কাউন্সিল এর টিএমটিইর একজন সদস্য ও দক্ষ ইংরেজি প্রশিক্ষক হিসেবে অনেক অবদান রয়েছে তাঁর।                   গল্প- ববিটার কথা   লেখক - ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ  'এই ববি যাহ! যাহ!  তুই আসিস না।' কোনো কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না ববি। ম্যাক্স যেখানে যায়, সেখানে ববিটাও। কী স্কুলে, কী প্রাইভেট টিউশন, কী খেলার মাঠ যেখানেই যাবে ম্যাক্স সেখানেই ববিটা উপস্থিত হবে। ওর একটা আচরণ খুবই ভালো -অন্য কাউকে কখনো ডিস্টার্ব করবেনা। এমনকি ভাদ্র মাসেও না। লোকে বলে- ভাদ্র মাসে নাকি ববিরা কামড়ায়। হ্যাঁ, ...

কবি রফিকুল নাজিম সিলেট বিভাগে যে কারণে শ্রেষ্ঠ হলেন

  সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মাধবপুর উপজেলায় কর্মরত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিশিষ্ট সাহিত্যক একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম ছন্দের জাদুকর কবি মো রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিকুল নাজিম।  প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধ্যানধারণার প্রবক্তা।উপকরণ তৈরিতে তিনি শিক্ষকদের নিয়ে একধাপ এগিয়ে কাজ করেছেন। ইদানিং শুরু করেছেন বাংলা গুরু নামে একটি বিশেষ উদ্ভাবন। এতে শিশুর সাবলীল বাংলা রিডিং দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে তিনি নবতর ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকদের কাছে। পত্রিকা সম্পাদনা হিসেবে রয়েছে তাঁর বিশেষ খ্যাতি। দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোতে  তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। লেখকও পাঠক  মহলে তিনি খুব সমাদৃত ব্যাক্তি। তাঁর একটি অনবদ্য উদ্ভাবন হলো আমার স্বপ্ন। এ উদ্ভাবনী আইডিয়াটি তিনি ২০১৭ সালে গ্রহণ করেন। পাঠকদের কাছে তাঁর উদ্ভাবনটি উপস্থাপন করা হলো -  প্রজেক্টঃ #আমার_স্বপ্ন  উদ্ভাবনের সময়ঃ এপ্রিল -২০১৭। উদ্ভাবকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহকারী  উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মাধবপুর, হবিগঞ্জ।...