Skip to main content

মাধবপুরে শাহ হরমুজ আলী ফাউন্ডেশনের মাছ ও সবজি বিতরণ




হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার শাহ হরমুজ আলী ফাউন্ডেশন আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। 


সংগঠনটি অসহায় ও দরিদ্রদের চিকিৎসা সহায়তা,শীতকালীন পোশাক বিতরণ, ঈদের সামগ্রী ও নতুন পোশাক প্রদান, মাসিক খাদ্য অনুদান, ঘরনির্মাণ, শিক্ষোপকরণ বিতরণ ও ইসলামী জলসার আয়োজন করে থাকে।


ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষক অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেন  মিজ স্যান্ড্রা উসমান ও জি এম উসমানের আর্থিক সহায়তায়  জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।


গত ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার ফাউন্ডেশনের মনতলাস্থ কার্যালয়ে এর পক্ষ থেকে  হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে মাছ ও দেশী আলু বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক মেহেদী হাসান মাসুদ, পাঁচপীর (রহ) মাজার শরীফ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দীন, সেক্রেটারি শিপন মিয়া,সূচনা  স্বেচ্ছাসেবী  সমাজকল্যাণ সংস্থার কার্যকরী সদস্য আফরোজা সুলতানা।


বিগত ২০২০ সাল থেকে মরমী কবি শাহ হরমুজ আলীর নামে এ ফাউন্ডেশন কার্যক্রম শুরু করে।

শুরুতে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহয়তা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে এককালীন খাদ্য অনুদান প্রদান করা হয়। 


নিকট ভবিষ্যতে শাহ হরমুজ আলী ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সমগ্র এলাকায় ছড়িয়ে দিয়ে ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক মেহেদী হাসান মাসুদ।

আরও পড়ুন:

সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান

আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ 

 English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে

আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের

গল্প- ববিটার কথা

বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে

সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা


Comments

সাম্প্রতিক খবর

'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা'

  'রুম টু রীড ' এর ' শিক্ষিত শিশু বিশ্ব পরিবর্তনের সূচনা' 'রুম টু রীড ' একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন  থেকে সংস্থাটি শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়ন এবং পাঠ্যাভ্যাস গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে স্বাক্ষরতা কর্মসূচি এবং মেয়ে শিশুদের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে এ সংস্থাটি কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২৯টি দেশে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। সংস্থাটি সেসব দেশের মাতৃভাষার স্বাধীন -সাবলীল পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  ২০০৯ সালে 'রুম টু রীড '  বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। এটি বাংলা ভাষায় শিশুদের পঠন দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হলো - বিদ্যালয় ভিত্তিক পাঠাগার স্থাপন ও বইপড়া কর্মসূচি।  শিশুরা নিজের মাতৃভাষায় যাতে পঠন দক্ষতা অর্জন করতে পারে সে লক্ষ্যে 'রুম টু রীড ' ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করছে। পাঠাগার কেন্দ্রিক এ ছাপা সমৃদ্ধ শিখন পরিবেশ দক্ষ পাঠক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে নবীন -প্রবীণ লেখকদের বিভিন্ন গল্...