Skip to main content

Posts

হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মো: শরীফুল ইসলাম

 হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মো:  শরীফুল ইসলাম। তিনি তাঁর উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল দক্ষতার দ্বারা শিক্ষা ক্ষেত্রে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছেন।  প্রাথমিক শিক্ষায় যোগদানের পরেই একের পর এক উদ্ভাবন নিয়ে এসেছেন তিনি। প্রারম্ভিক পর্যায়ে অনেকেই ভেবেছিলেন এসব উদ্ভাবন খুব একটা ভালো  ফলাফল বয়ে আনবেনা। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই পাল্টে যায় ধারণা। অদম্য এ স্বপ্নদ্রষ্টার হাত ধরে পাল্টে যেতে থাকে গতানুগতিক শিশু শিক্ষার  পরিস্থিতি। অভূতপূর্ব সাড়া পরে যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে।  বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাগ্রত হয় নব উদ্যম।গড়ে উঠে শত শত রঙিন স্কুল। একদল স্বপ্নের রূপকার তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করে গড়ে তুলে স্বপ্নের বিদ্যালয়। 'আমার স্বপ্ন আমার বিদ্যালয়' থিমটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে প্রাথমিক শিক্ষা ভুবনে। শিক্ষার্থীর দৈহিক, মানসিক  নৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্বিক বিকাশ সাধনের জন্য এ থিমটি  অনন্য রোল  মডেল। মডেলটির রূপকার শিক্ষা অফিসার মো শরীফুল ইসলাম সকল মহলে প্রশংসিত হন। বিভিন্ন সংস্থা ও গণমাধ্যম কর্মীরা তাঁর আইডিয়াগুলো প্রচার শুরু করে। তিনি তাঁর অসাধ...

জাতীয় শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয় শিক্ষা পরিবারের গৌরব

  একজন অদম্য সংগ্রামী ও মেধাবী শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়। তিনি আশাবাদী ও স্বপ্নের রূপকার। প্রাথমিক শিক্ষা তাঁর দিকনির্দেশনা পেয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায়।২০১৬ সালে যোগদানের পর এ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের শিক্ষা বিপ্লবের সূচনা হয়।তাঁর নবতর ধারণা শিশু শিক্ষায় এনে দেয় আমূল পরিবর্তন। ক্লাস পার্টি, শ্রেণি আমার শিশু আমার, আইসিটি টিম, স্থানীয় জনগণকে শিক্ষা সেবায় উদ্বুদ্ধকরণ ইত্যাদি ইনোভেশন একের পর এক সফলতা এনে দেয় শিশুর শারীরিক, মানসিক ও আবেগিক বিকাশ সাধনে। শিক্ষকদের উদ্বুদ্ধকরণে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সততা ও কর্তব্য নিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগে  তিনি সবার চেয়ে এগিয়ে । এসব গুণাবলির কারণে তিনি ২০২২ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রাপ্ত মেডেল শিক্ষকদের গলায় পরিয়ে দিয়ে তিনি শিক্ষকদের সম্মানিত করছেন। তিনি বেঁচে থাকুন অনন্তকাল।

শ্রদ্ধেয় সুজিত স্যার আছেন হৃদয়ের গহীনে

  বিদায়!  বেদনা বিধূর একটি শব্দ। চিরবিদায় ও কর্ম থেকে বিদায় উভয়ই খুব কষ্টকর। আর তা যদি হয় কোনো একজন আপনজনের বেলায় তা আরো কষ্টের ব্যাপার। কিছু মানুষ ক্ষণিকের পরিচয়ে আপন মহিমায় স্থান করে নেন হৃদয়ের গহীনে। কাছাকাছি অবস্থান না করলেও অনেক দূরে থেকেই মনে বিরাজ করেন ওই প্রিয় মানুষগুলো। তাঁদেরকে কখনো ভুলা যায়না।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের পর সহকর্মীদের মুখে যে নামটি প্রায়ই আলোচনার টেবিলে উঠতো সে নামটি হলো সুজিত বাবু-আমাদের সকলের প্রিয় সুজিত দেব রায় স্যার। আমার সাথে স্যারের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিলনা। তবে আমি তাঁকে চিনতাম। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে আমি তাঁকে দেখেছি। কথা হয়নি। অত্যন্ত পরিপাটি ও চৌকস। গুছিয়ে কথা বলেন।শুদ্ধস্বর তাঁর। তবে তখনো আলাপ চারিতা হয়নি।  আমার চাকুরির প্রায় নয় বছর পরে ২০১৪ সালে ইংলিশ ইন অ্যাকশনের একটি প্রোগ্রামে তাঁর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়। কথা হয়। বিভিন্ন বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা হয়। দিনব্যপী প্রশিক্ষণে আমি তাঁকে সদা মনোযোগী ও তৎপর দেখতে পাই। যে মতামত তিনি তুলে ধরতেন তাতে থাকতো দারুণ সব যুক্তি। কোনো এক্টিভিটিকেই তিনি গভীর মনোনিবেশ ব্যতীত অতিবাহিত করেন নি।...

মাধবপুরে শিক্ষার সোনালী ইতিহাস রচিত হলো

 প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় রচনা করা হচ্ছে নতুন ইতিহাস। এমন সব  উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যা  এত আন্তরিক ও নিবিড় পরিবেশে আর কোথাও চোখে পড়েনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় , উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় , সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় এবং  বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অভিভাবকদের সঙ্গে  একত্রে নিবিড় পরিবেশে বসে শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন  । ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখটি সোনালি হরফে লেখা হয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার ইতিহাসে।  উদার হৃদয়ের এমন অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করবে।  ২৮ তারিখে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া  চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক উঠান বৈঠক। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ  মঈনুল ইসলাম মঈন স্যার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান স্যার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম স্যার। শিক্ষার ইতিহাসে যুক্ত হলো আরো একটি স্বরণীয় রেকর্ড। স্যালুট হে মহান কর্মকর্তাগণ।

বিদ্যালয়ে শিশুদের নিরাপত্তা

  আমরা জানি শিশু আগামী পৃথিবীর কর্ণধার। তাকে ঘিরেই আমাদের যত স্বপ্ন ও আশা। আমরা যারা শিশুর পিতামাতা বা অভিভাবক আছি নিজেদের চেয়েও শিশুকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।সে ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি।তার সাফল্যে আমরা সাফল্য লাভ করি ও আনন্দিত হই।নিজের শরীরে রোগ বালাই হলে তাতে ধৈর্য ধারণ করতে পারি।কিন্তু সন্তানের রোগ বালাই হলে তার চিকিৎসার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠি। নিজের সন্তানকে প্রতিবেশীদের কেউ কটু কথা বললে খুবই ব্যথিত হই আমরা। কারণ আমরা নিজের সন্তানকে এমনভাবে ভালোবাসি যে, কেউ তাকে অপমান করলে নিজেই অপমানবোধ করি।নিজের সন্তানকে কেউ মারধর করলে যেকোনো মূল্যে এর বিচার করার জন্য উঠে পড়ে লাগি।শিশু আঘাত পেলে যতটা কষ্ট অনুভব করি, নিজে আঘাত পেলেও ততটা কষ্ট অনুভব করিনা।  আমরা যেমন শিক্ষক হিসেবে নিজের সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে নিরাপত্তা কামনা করি তেমনি অন্যরাও তাদের সন্তানদেরকে স্কুলে পাঠিয়ে নিরাপত্তা কামনা করে। এটাই স্বাভাবিক।  শিশুর সন্তুষ্টির জন্য আমরা অনেক ত্যাগ করি । কেউই চাইনা আমার সন্তান কোথাও অপমান বা নির্যাতনের শিকার হোক। তেমনি  শিক্ষক হিসেবে আমাদের কাছে  যারা তাদের সন্তানকে পাঠান তারাও...

মীনা দিবসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মহোদয় যে বিষয়গুলো আলোকপাত করেছেন

  গত ২৪ সেপ্টেম্বর মীনা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান মহোদয় বলেছেন, 'প্রতিটি শিশুর কাছে মীনা একটি শক্তি, সাহস ও প্রেরণার প্রতীক; যে সব বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে শিক্ষার আলোর পথে ছুটে চলে। কারণ শিক্ষাই তাকে দেবে কাংখিত মুক্তি; পূরণ করবে অগুনতি স্বপ্ন। আর শিক্ষার আলোয় প্রতিগৃহ রাঙাতে কাজ করছে সরকার।' তিনি বলেন, 'মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রধানতম হাতিয়ার শিক্ষা। শিশুদের জন্য আলোকিত আগামী নির্মাণ করতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে জাতির ভিত গড়ার কাজ করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।'  গত ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা পিটিআইতে মীনা দিবস-২০২২ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর  কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে সচিব এসব কথা বলেন।  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দীলিপ বণিক প্রমুখ।  প্রতিবছর ২৪ সেপ্টেম্বর...

প্রাথমিকে ইংরেজি শিক্ষাদান ব্যাপক হতে চলছে

  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ইংরেজি বিষয়ের দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার ও বৃটিশ কাউন্সিল যৌথভাবে কাজ করছে। শিশুদের ইংরেজি শোনা, বলা, পড়া ও লেখায় আরো কার্যকর গতিশীলতা আনার উদ্যোগ হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বৃটিশ কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত TMTE প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের ১৩ টি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের বিশেষ ট্রেইনিং ভেন্যুতে নিবিড় পরিচর্যায় মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে মাস্টার ট্রেইনারদের। তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হলে শুরু হবে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণ। সেখানে মাস্টার ট্রেইনারবৃন্দ প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।  বাংলাদেশের ইতিহাসে ইংরেজি শিখন শেখানোর ক্ষেত্রে এত বড়ো  উদ্যোগ ইতিপূর্বে  আর গ্রহণ করা হয়নি। বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ব্যবহারের যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য এ বিশাল উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষায় একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ট্রেইনিং অব মাস্টার ট্রেইনারস ইন ইংলিশ ( টিএমটিই) বৃটিশ কাউন্সিলের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষকবৃন্দের ইংরেজি শোন...

শিশুদের প্রিয় শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর মেহনাজ পারভীনের সফলতার গল্প

 দিনাজপুরের কবি মেহনাজ পারভীনের মূল পেশা হলো শিক্ষকতা। তিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষক। তাঁর রয়েছে একটি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি যা দিয়ে তিনি পড়তে পারেন শিশুর মনের অভিব্যাক্তি। তাই তিনি শিশু বান্ধব এবং ওদের প্রিয় ব্যাক্তিত্ব। তাঁর লিখিত কয়েকটি বই আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। তিনি তাঁর লিখনীতে তুলে ধরেছেন সমাজের বাস্তবতা। স্বাধীনতার চেতনায় তিনি দীপ্তিময় এক অসাধারণ সাহিত্য রচয়িতা, সংস্কৃতি কর্মী ও শিক্ষক।  তিনি অদম্য সংগ্রামী এক মহান নারী। তাঁর  সমাজ পরিবর্তনের কাব্যিক  আন্দোলন অগ্রগামী ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি অনেক কিছু নিয়ে ভাবেন। তিনি  যে লেখালেখি করেন তা তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুদের উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ  করে। তাঁর  বিদ্যালয় থেকে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড মূল্যায়ন পরীক্ষায় চারজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ  হয়েছে।  তিনি দেয়াল পত্রিকা তৈরি করেছেন তাঁর  শিশুদের লেখা নিয়ে। এতে শিশুদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটছে।  বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে তাঁর  ১৯ জন শিক্ষার্থী  পুরস্কার পেয়েছে। তিনি একাত্তরের গণহত্যা, নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধের...

ঢাকায় এসএসসি ৯৫ ব্যাচের ঐতিহাসিক মিলনমেলা

 সারা বাংলাদেশের এস এস সি ৯৫ ব্যাচের সহপাঠীরা ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে একটি প্লাটফর্মে যোগ দিতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে এ প্লাটফর্ম হয়ে উঠে তাদের ভার্চুয়াল বন্ধুত্বের জগত। হতে থাকে অভিমত,ভালো লাগা না লাগার শেয়ারিং। দিন দিন কাছাকাছি চলে আসেন একে অন্যের। একপর্যায়ে বন্ধুদের শুরু হয় মিলন মেলা। আজ ঢাকায় বসেছিল এর জম্পেশ সম্মেলন। যোগ দিয়েছেন হাজার হাজার বন্ধু।  এসএসসি ৯৫ ব্যাচের বন্ধুদের এ সম্মেলনকে ঘিরে প্রায় মাস খানেক ধরে ছিল প্রাণের স্পন্দন। অবশেষে মিলন মেলায় প্রাণের কোলাহল জমে উঠলো। গান,আবৃত্তি, কৌতুক সব মিলিয়ে একটি দারুণ সময় অতিবাহিত করেছে বন্ধুরা। জয় হোক বন্ধুত্বের, জয় হোক বন্ধুদের।   সম্মেলন কেন্দ্র থেকে আজকের বন্ধুত্বের বার্তা পৌঁছে যাক অনাগত থেকে অনাগতে। চীন মৈত্রী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠুক বন্ধুত্বের দৃঢ় ঐক্য।

প্রেরণার উৎস উদ্ভাবক অ্যাম্বাসেডর তাহমিনা তুহিন

  জনাব তাহমিনা তুহিন প্রাথমিক শিক্ষকবৃন্দের কাছে একটি  আলোচিত নাম। যাঁরা শিশুদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চিন্তায় মগ্ন  তাঁদেরই একজন  তিনি। কুলাউড়া উপজেলার বাদে ভূকশিমইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা তুহিন মহোদয় গণিত অলিম্পিয়াডের একজন চৌকস  শিক্ষক প্রশিক্ষক।  এ মহান শিক্ষকের সাথে  আমার পরিচয় হয় প্রায় ৫ বছর আগে  ২ আগস্ট,২০১৭ তারিখে সিলেট বিভাগের ইনোভেশন সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায়। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে  এটি  অনুষ্ঠিত হয়েছিল। উক্ত ইনোভেশন পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় উপপরিচালক মহোদয় জনাব তাহমিনা খাতুন, বিশেষ অতিথি ছিলেন কুলাউড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় চৌধুরী মোহাম্মদ গোলাম রাব্বী এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব আব্দুল আলীম মহোদয় । এতে সভাপতিত্ব করেছিলেন  কুলাউড়া উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়  কামরুল ইসলাম।  সিলেট বিভাগের ৪ টি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত উদ্ভাবকগণ উক্ত সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। উক্ত সভায় ইনোভেশন সংক্রান্ত বিষ...

বিশ্বজয়ী হাফেজ তাকরীমের জন্য আনন্দিত বাংলাদেশ

  হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। দেশ ও জাতির জন্য বয়ে এনেছেন গৌরব ও সম্মান।  ৪২ তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে তাকরীম তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন।  পবিত্র মক্কা নগরীতে মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত এ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ টি দেশ থেকে ১৫৩ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। টাঙ্গাইলের কৃতিসন্তান তাকরীম মারকাযুল আল ইসলামিয়া, মিরপুর, ঢাকা এর ছাত্র।  গত বুধবার এ প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তাকরীম এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হিসেবে এক লাখ সৌদি রিয়াল পুরস্কার লাভ করেন। তাছাড়াও তিনি সৌদি সরকারের খরচে ওমরাহ পালন করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে তাকরীম গত ৯ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব যাত্রা করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর শিক্ষক হাফেজ ক্বারী মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন।   আগেও তাকরীম  লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত কুরআন প্রতিযোগিতায় ৭ ম এবং তেহরানে ৩৮ তম প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অর্জন করেন।  বাংলাদেশের জন্য এ গৌরব অর্জন করায় তাকরীমকে লাখো সালাম।

শিক্ষা সম্পর্কে যে বার্তা দিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয়

  ভারতের বেঙ্গালুরে অনুষ্ঠিত ' এশিয়ান সামিট অন এডুকেশন এন্ড স্কিলস' ২০২২ এর অধিবেশনে  দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার ব্যাপারে সমন্বিতভাবে কাজ করার গুরুত্বারোপ করে মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন,' দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে শিক্ষার মানোন্নয়ন, সিলেবাস প্রণয়ন ও প্রযুক্তিগত কাঠামো এবং কনটেন্ট নির্মাণে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ জন্য একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এ অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আরও পূঁজি বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্য দেশগুলো একটি শিক্ষা সহায়তা ফান্ড গড়ে তুলতে পারে'।  তিনি  জাতিসংঘকে এ অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের শিশুরা বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত সংকটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। বিরাট সংখ্যক শিক্ষার্থীর আবাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানির নিচে তলিয়ে যাবার ফলে তারা বাস্তুচ্যুত ও শিক্ষা বঞ্চিত হচ্ছে। নিঃস্ব পরিবারের সহায়তায় শিক্ষার্থীকে ক্লাসের পরিবর্তে কাজে বের হতে হচ্ছে; যা অমানবিকই কেবল নয়, জাতিসংঘের শিশু সনদ ও আ...

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন ইতিহাসের সূচনা

  এক ব্যতিক্রমী সেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়। পেনশনের আদেশ পেতে আগে দিনের পর দিন অফিসে যেতে হতো। তিনি উপজেলায় যোগদান করার পর আর তা করতে হয়নি। কাগজপত্র জোগাড় করে পেনশনের আবেদন করে আসলে কয়েকদিনে মিলে যায় ফরওয়ার্ড ও আদেশ। এবার সে আদেশ নিয়ে শিক্ষকের কাছে চলে যাচ্ছেন এ মহানুভব  শিক্ষা অফিসার। ২২-৯-২০২২খি: বৃহস্পতিবার সকাল ৯-৫০মিনিটে শাহেনা সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে করেন মাধবপুর  উপজেলার সম্মানিত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা  ছিদ্দিকুর রহমান স্যার ও সহ: উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদ্বয়  দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র আচার্য্য স্যার এবং  রফিকুল ইসলাম স্যার।তখন  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সুজিত দেব রায় এর নিকট তাঁর  অবসরোত্তর ছুটি মঞ্জুরের আদেশ হস্তান্তর করেন। শুরু হলো বাংলাদেশের  প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন ইতিহাস। 

শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর দিলরুবা ম্যাডামের সফলতার গল্প

  এমন কোনো আইসিটি শিক্ষক পাওয়া যাবেনা যিনি দিলরুবা ম্যাডামকে চিনেন না। শিক্ষকদের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন হলেন রাজশাহীর  ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা খানম। তিনি অনেকগুলো ক্ষেত্রে  সেরা। এমনকি সেরাদেরও সেরা। আইসিটি আইকন এ পথপ্রদর্শকের উদ্যোগের কারণে কয়েক লক্ষ শিক্ষক আজ একটি প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছে। তাঁর চিন্তা ও দর্শন লালিত হচ্ছে অনেক শিক্ষকের মনে। স্বপ্নের স্কুল গড়ি আন্দোলনে তিনি পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যে অবদান রেখেছেন তা শিক্ষার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।  তিনি ২০১৫ সালে মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে ১১তম স্থান অর্জন করেন যা a2i - Aspire to Innovate কর্তৃক পরিচালিত হয়েছিল। ২০১৬ সালে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষক সম্মেলন’-এ শিক্ষক বাতায়নের সপ্তাহের সেরা শিক্ষক’ও মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ের সফল প্রতিযোগী হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মহোদয়ের  হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন। শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তিনি  শিক্ষায় অবদান রেখেছেন।  ২০১৫ সালে ব্...

একজন কর্মবীর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়

  দুই হাজার  ষোলোর মার্চের কথা।  শীতের দাপট কমে গেছে। তবু সকালে কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে সবুজ মাঠ,গাছগাছালি ও গ্রামীণ প্রান্তর। আমি  জয়েন করেছি আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।আগে আমি দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছিলাম।    বর্তমান স্কুলের প্রধান শিক্ষক রইছ উদ্দীন স্যার একদিন সকালে এসে বললেন, নতুন টিইও স্যার এসেছেন। ইয়াং ও চৌকস।আজ মনতলা সপ্রাবিতে মিটিং আছে । নতুন টিইও স্যার বক্তব্য রাখবেন। পরের দিন প্রধান শিক্ষক মহোদয় স্কুলে এসে টিইও স্যার সম্পর্কে  আমাদের কাছে অনেক প্রশংসা তুলে ধরলেন। স্কুল আরো সজীব ও প্রাণবন্ত করার পদক্ষেপগুলো আমাদেরকে শুনালেন। আমার মনে টিইও স্যারকে দেখার একটা তাড়না অনুভব হতে লাগলো। কিন্তু সহসা কোনো দরকার না থাকায় শিক্ষা অফিসে যাওয়া হচ্ছিল না। আমার বদলির বিষয়টি  ইংলিশ ইন অ্যাকশনের সমীরণ গ্রেগরি স্যারকে জানানো হয়নি। জানানো প্রয়োজন।  কারণ দেবীপুর সপ্রাবি থেকে  আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির প্রেক্ষিতে  ইংলিশ ইন অ্যাকশনের কাছে  অডিও ভিডিও ম্যাটেরিয়্যালস চেয়ে দরখাস্ত ...

ইনোভেটর শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর রায়হানা হক

 ২০১৮ সালের জুনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী ইনোভেশন সোকেশিংয়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে এটুআইর কর্মকর্তাগণ সফল উদ্ভাবনের অনেক গল্প তুলে ধরেন।এটুআই থেকে ইনোভেশন স্পেশালিষ্ট ও কনসালটেন্টগণের মধ্যে মানিক মাহমুদ স্যার, জিয়াউল স্যার,সাধন স্যার,অশোক স্যার ও রফিকুল ইসলাম সুজন স্যার উপস্থিত ছিলেন। সরকারি দপ্তর গুলোতে যারা আইডিয়া নিয়ে  কাজ করেন তাদেরকে পথপ্রদর্শন করাই এটুআইর ইনোভেশন টিমের কাজ।সেদিন রফিকুল ইসলাম সুজন স্যার প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের একটি প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন। সেখানে বাঁশগাড়ি ১  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হানা হক এবং ধাদাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক দিলরুবা সুলতানা ম্যাডামদ্বয়ের কিছু উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করেন।সেই থেকে এ দু'টো নামের সাথে আমার পরিচয়।  ২০১৮ সালের অক্টোবরের দিকে শ্রীমঙ্গলে মহসীন আলী অডিটোরিয়ামে  আয়োজিত অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক সম্মেলনে সারাদেশের আইসিটি আইকনবৃন্দ উপস্থিত হন।সেখানে  রায়হানা আপার সাথে আমার পরিচয় হয়।প্রথম সাক্ষাতেই আমি বুঝতে পারি সুজন স্যারের উপস্থাপিত এবং বাস্তবের রা...

হাকালুকি হাওরে ভূত আর আমি

  দুই হাজার সালের ১২ ডিসেম্বর আমার জীবনের একটি আনন্দের দিন। কুয়াশার সাদা বেড়ি পারি দিয়ে কুলাউড়া সদর থেকে রিক্সায় চড়ে পৌঁছে গেলাম ঘাটের বাজার। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে হাকালুকি হাওর পাড়ের গৌড়করণ মাদরাসায় পৌঁছে গেলাম।মেজাজটা ফুরফুরে। শরীরে আনন্দের উষ্ণতা। হাকালুকি হাওরের তীব্র হিমেল বাতাস বইছে।  গৌড়করণ পৌঁছে দেখি, টিনশেড এলশেইপের লম্বা একটি পাকা ভবন। পূর্ব দিকের দেয়ালে কালো রং দিয়ে আর্ট করা নাম- গৌড়করণ নুরুল ইসলাম দাখিল মাদরাসা। তখন সকাল সাড়ে নয়টা বেজে চলেছে।  মাদরাসার অফিস ও সবগুলো শ্রেণিকক্ষ খোলা। অনেক ছাত্রছাত্রীর কোলাহল। আমি অফিসে ঢুকলাম। সুপার মহোদয়,  ম্যানেজিং কমিটির সহসভাপতি নছিব উল্লাহ সাহেব , সৌকত সাহেব ও আরো কয়েকজন উপস্থিত। আমি কাজে যোগদান করলাম।  সুপার মহোদয় আমাকে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পরিচয় করিয়ে দিলেন। মাদরাসায় বিএসসি ছিলোনা, তাই তিনি আমাকে নবম - দশম শ্রেণির গণিত পড়াতে বললেন। আমি আনন্দ চিত্তে পড়াতে শুরু করলাম। আমি ইংরেজির মানুষ, পড়াই গণিত। নাইন-টেনে আমার উচ্চতর গণিত ছিল। কোনো সমস্যা হয়নি। শ্রেণি কার্যক্রম ভালোই উপভোগ করতে লা...

উজ্জলপুর সপ্রাবিতে আমার হঠাৎ বদলি এবং আল্লাহর সাহায্য

  নোয়াপাড়া থেকে খড়কী পৌঁছি ট্যাক্সিযোগে। রাস্তা সরু ও ভাঙ্গা। তাই যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়েছিল। খড়কীর উত্তর দিকের রাস্তা দিয়ে গ্রাম অতিক্রম করে চলছি পশ্চিমের মেঠোপথ ধরে। কলকল শব্দে ছন্দের তালে তালে শেলো থেকে পানি বের হয়ে আঁকাবাকা ড্রেন দিয়ে বোরো ক্ষেতে চলছে। বোরো ক্ষেতের পাশাপাশি সরিষা ও রাই ক্ষেত।গাঢ় হলুদ সর্ষে ফুলে ছেয়ে আছে অর্ধেক মাঠ।ফুলের সুবাসে বাতাসে কী এক তৃপ্তির নিশ্বাস নিচ্ছি। ভ্রমরের গুঞ্জনে মনের কুঞ্জবনে দোলা লেগেছে, দোলা। আমার হৃদয়ে অনেক ক্ষত ছিল মেঠোপথ ধরার পূর্বক্ষণ পর্যন্ত। হিমেল বাতাসে সরিষার ঝিলিক আমাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছিল। সকালের কাঁচা রোদে মাঠের এ অপরূপ দৃশ্য হৃদয়ের ব্যাথা ভুলিয়ে দিল।পথের পরে চারণভূমি ও ছোট নদী পেরিয়ে শুকনো ক্ষেতের আইল ধরে পৌঁছলাম উজ্জ্বলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রধান শিক্ষক পরিমল স্যার আমাকে গ্রহণ করলেন।  বিকেলে কর্মঘণ্টার পর পরিমল স্যার ও আমি ছাতিয়াইন বাজারে মিষ্টি খেলাম।স্যার আমাকে তাঁর ভাইয়ের কাপড়ের দোকানে রেখে বাড়িতে গেলেন। আধঘন্টা পর ফিরে এসে আমাকে নিয়ে গেলেন মেলায়।ততক্ষণে ঠান্ডা পরে গেছে। শরীরে হিম লাগতে শুরু করেছে। ডাকছে কাক। মেলায় বাল্...

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার যোগদান এবং ব্যাংক একাউন্ট খোলার বিড়ম্বনা

 ২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত একটি এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলাম পূণ্যভূমি সিলেটে অবস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান ঢাকাদক্ষিণে।বিএনকে স্কুল এন্ড কলেজে দিনকাল ভালোই কাটছিল। টিউশনি ছিল। ছাত্রছাত্রীদের কাছে জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। সেখানে আমার এক সহকর্মীর ওপর এক স্থানীয় প্রভাবশালী লোক অন্যায়ভাবে হামলা করেছিল। তিনি ছিলেন আমার খুব কাছের সহকর্মী। কুশিয়ারা বিধৌত আছিরগঞ্জের পার্শ্ববর্তী আমকোনা গ্রামের আজিজুর রহমান নামের এ মানুষটি চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে চলে যাওয়ার পর আমার মনটা দুমড়ে মুচড়ে যায়।তখন ক্লাস,টিউশনি, কোচিং ইত্যাদিতে  খুব জোর করে মনকে বেধে রাখতাম। আজিজ সাহেব চলে যাওয়ার মাস খানেক পরে আমার চাকুরী হয়ে যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। যেখানে ছিলাম সেখানে ভালো না লাগায় জীবনকে নতুন করে শুরু করার আশা নিয়ে ২০০৫ সালের ১৮ জানুয়ারি যোগদান করি মানিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আমার বুকে নতুন  স্বপ্ন এবং জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ধ্বনিত হচ্ছে।  বাঘাসুরার মানিকপুরে এর আগে কখনো যাইনি। কাজে যোগদান উপলক্ষে যাওয়া। কী ঘন কুয়াশা ছিল তা বলে বুঝাতে পারবনা...

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির খুটিনাটি

  ১৫ সেপ্টেম্বর -২০২২ থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম। সারাদেশে একযোগে একই উপজেলার  ভেতরে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। অনলাইনে চলবে এ বদলির আবেদন  আগামী ৩০  সেপ্টেম্বর-২০২২ তারিখ পর্যন্ত। বদলির আবেদন পূরণের  জন্য যে সকল তথ্য লাগবে  এবং যা জানা থাকা প্রয়োজন তা  হলোঃ ১। লগইন  করতে লাগবে  IPEMIS এ ব্যাবহৃত মোবাইল নম্বার ও পাসওয়ার্ড  ২। লগইন করে ধাপের পর ধাপে তথ্যদিয়ে পরের পেইজে যেতে হবে। খসড়া করা যাবে। ভালভাবে দেখে সাবমিট করলে ভাল হবে। কারণ  ডাবল দরখাস্ত করা যাবে না। সাবমিটের পর প্রথম যাবে সংশ্লিষ্ট  প্রধান শিক্ষকের কাছে। প্রধান শিক্ষক তথ্যের  সঠিকতা যাচাই করে সাবমিট করবেন। তারপর সহকারী উপজেলা  শিক্ষা অফিসার মহোদয় দেখে সাবমিট  করবেন। এরপর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় জ্যেষ্ঠতা সহ সকল তথ্য যাচাই করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের কাছে প্রেরণ করবেন ।এরপর অটো শিক্ষক বদলির আদেশ হবে। জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় চুড়ান্ত অনুমোদনের পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার...