Skip to main content

Posts

শিশুর বিকাশ ও প্রসঙ্গ কথা

  শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশই হলো প্রাথমিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। দৈহিক, মানসিক, শারীরিক, সামাজিক, আবেগিক, আধ্যাত্নিক ও নৈতিক বিকাশ ব্যতীত শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ সাধিত হয়না। তাই তার সার্বিক বিকাশের ব্যবস্থা রেখেই শিখন- শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করা সমীচীন।  বিদ্যালয়ে শিশুর মানসিক বিকাশের পাশাপাশি অন্যান্য বিকাশ যাতে পরিমিতভাবে হয় সেজন্য সহ-পাঠক্রমিক কার্যাবলির ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন। বিভিন্নরকম খেলাধূলায় অংশগ্রহণের নিয়মিত সুযোগ শিশুদেরকে করে দিতে হবে। শ্রেণির রুটিনকে সেভাবেই সাজাতে হবে।  শিশু যতই মেধাবী হোক সে যদি শারীরিকভাবে সুস্থ ও নীরোগ না  থাকে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতি বিনির্মাণে পর্যাপ্ত শ্রম দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবেনা। তাই তার শরীর ও মন সুস্থ রাখার জন্য বিদ্যালয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ত্রিশ থেকে চল্লিশ মিনিট খেলাধূলা ও শরীরচর্চার সুযোগ রাখতে হবে এবং শিক্ষকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে সেই সময়টা পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন।   শিশুর সামাজিক ও আবেগিক বিকাশের জন্য বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র ইউনিট  গঠন করে বিভিন্ন কার্যক্রমের নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়ে তাদেরকে মনিটরিং ও মেনটরিং করা ...

শিশুর নৈতিক শিক্ষা কোনপথে?

  একজন মানুষের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধকে ব্যক্তি,পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে নিয়োজিত করার জন্য যে বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন তা হলো নৈতিক শিক্ষা। এ শিক্ষা মূলত মায়ের ক্রোড় থেকেই শুরু হয়ে যায়। আরো গভীরভাবে বলতে গেলে তা শুরু হয় বাবা মায়ের বিশেষ মিলনের পর যখন ভ্রুণ মাতৃগর্ভে সঞ্চারিত হয় তখন  থেকেই। এ বিষয়ে অনেক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে।  মাতৃগর্ভে থাকাকালীন শিশু মায়ের আচার-আচরণ দ্বারা প্রভাবিত ও বিকশিত হয়।এজন্যই মহামানব ও মনোবিশারদগণ মা গণকে গর্ভকালীন সময়ে সৃষ্টিকর্তাকে প্রতিনিয়ত  স্মরণ করার উপদেশ দিয়েছেন।  মাতৃগর্ভে থাকাকালীন শিশুর মজ্জাগত বিকাশ সাধন শুরু হয়ে যায়।  জেড এইচ শিকদার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মানসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: ফাহমিদা ফেরদৌস এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৯১১ তম পর্বে বলেন,মায়ের মন ( গর্ভকালীন)  যদি ভালো থাকে তাহলে শিশুর মানসিক গঠন এমনিই ভালো হবে।  আমরা চাই সুস্থ, সবল, মেধাবী ও নৈতিক গুণাবলির অধিকারী শিশু। কারণ শিশুরই জাতির আগামী কর্ণধার। নৈতিক দিক দিয়ে আদর্শবান মান...

গল্প- কুনো ব্যাঙ

 প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা অনেকেই ক্লাসরুমে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন গল্প শুনতে ভালোবাস। শিক্ষক, সহপাঠী,  অন্যকোনো প্রাণী বা বস্তু নিয়ে বিদ্যালয়কেন্দ্রিক অনেক গল্প রয়েছে। আজকে তোমাদের জন্য থাকছে এ ধরনের একটি গল্প। আশা করি তোমাদের এটি ভালো লাগবে।   আজকের গল্প- কুনো ব্যাঙ 'ওখান থেকে সরে যা, মাশফি। সরে যা, বলছি ',  একযোগে বলে তমাল, আলভি ও শাওন। 'না, আমি সরবো না। ওকে তোরা মেরে ফেলতে চাস কেনো? ও কি কোনো অন্যায় করেছে? ' শ্রেণিকক্ষের কোণাটায় বুক ঠেসিয়ে বসে পরে  মাশফি।ঠুস- ঠাস শব্দে কিল- ঘুষি পরতে থাকে ওর গায়ে। তবু সে  ক্লাসরুমের  কোণা ত্যাগ করছেনা। একেবারে যখন আর সহ্য হচ্ছিল  না তখন চিৎকার দিয়ে উঠলো মাশফি, ' ও আল্লাহগো! আমাকে মেরে ফেলল '। তখন শাওন বাম হাত দিয়ে ওর চুল মুষ্টি বদ্ধ করে ধরে জোরে একটি কিল দেয়। হট্টগোল চলছিল শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার মিনিট পাঁচেক পূর্ব থেকে।  সোনালী মেডামের প্রথম ক্লাস। তিনি শ্রেণিতে প্রবেশ করে অবাক হয়ে তাকালেন রুমের কোণায়। ' কী হচ্ছে এখানে?  মাশফির চিৎকার শুনলাম কিছুক্ষণ আগে। ' ততক্ষণে তমাল,আলভি ও শাওন সরে গিয়...

ছড়া- অসহ্য গরম

 অসহ্য গরমে  দুর্ভোগ চরমে  চলে লোডশেডিং।  বাতাসে আগুন  দাহে নিদারুণ  যেন গালায় শিং। ঝিম ঝিম ব্যথা সয়ে যায় মাথা  দেহে গলে ঘাম।  আগুনের আঁচ ফুটে যায় কাঁচ নাইতো আরাম।  ঘরছাড়া বিড়ালেরা করে ঘুরাফিরা  সাঁতরায় কুকুর।  কুনোব্যাঙ ঘরকোণে ডাকে ক্ষণে ক্ষণে  ছটফটায় ইঁদুর।  ছাগলের ছানাগুলো গরমে আলুথালু  গাভীটি হাদায়। শিশুগুলো খালেবিলে খেলা করে ঘোলাজলে দুপুর বেলায়। সৌন্দর্য ও ফিটনেসে চিত্র নায়িকা রোজিনার বর্ণাঢ্য পথচলা বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৌন্দর্যের মহারাণী চিত্র নায়িকা রোজিনা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয়না তাঁর বয়স ত্রিশ - পয়ঁত্রিশ হবে। সদ্য ইউনিভার্সিটি পাশ করা যুবতীর মতো। সৌন্দর্য ও ফিটনেস সচেতন এই মহানায়িকাকে নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন তারকার কথা।  চিত্র নায়িকা রোজিনা ১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম রওশন আরা রেণু।  চিত্র নায়িকা রোজিনার রুপালী পর্দায় পদার্পণে একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্রে আসার তীব্র বাসনা ছিল তাঁর মনে। কিন্তু কোনো সুয...

শিক্ষক কেন উপকরণ তৈরি করবেন

  একটি পাঠকে প্রাণবন্ত, উৎসবমুখর ও বোধগম্য করার জন্য পাঠসংশ্লিষ্ট উপকরণ ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করে থাকেন।  উপকরণ হবে সুলভ বস্তু দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ হাতের নাগালের সহজলভ্য ও বিনামূল্যের বস্তু দিয়ে উপকরণ তৈরির চেষ্টা করতে হবে। তবে উপকরণ তৈরির জন্য শিক্ষককে আন্তরিকতার অধিকারী হতে হবে।  শিক্ষক প্রথমেই পাঠ্যাংশ মনোযোগ দিয়ে পড়ে তাতে কী উপকরণ ব্যবহার করবেন তা নির্ধারণ করে থাকেন। পূর্বে উপকরণগুলো প্রস্তুত থাকলে সেগুলো ব্যবহার করা যায়। অথবা কোনো উপকরণ আপডেট করা বা নতুনভাবে তৈরি করার প্রয়োজন হলে তা করতে পারেন।  শিক্ষকগণ উপকরণ তৈরির কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে পারেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই অংকন বিদ্যা বা বিভিন্ন বস্তু তৈরিতে শিক্ষকদের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। তাদেরকে কাঁচামাল সরবরাহ করে দিলে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে অনেকগুলো উপকরণ তৈরি করে জমা দিতে পারবে।বাড়ির কাজ হিসেবে উপকরণ তৈরির কাজ দেয়া যেতে পারে।  উপকরণ তৈরি করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা অনেককিছু শিখে ফেলবে। তবে অনেক উপকরণ যেগুলো ছাত্র- শিক্ষক দ্বারা তৈরি করা যাবেনা স...

শিশু এক অপার বিস্ময়

  শিশুর রয়েছে অজানাকে জানার অদম্য কৌতুহল। সে তার পরিবেশে যা দেখে তা নিয়েই ভাবতে থাকে। কোনো বস্তু কখন কী কাজে লাগে এমন প্রশ্ন তার মনে ঘুরপাক খায়।তাই সে তার পিতামাতা, ভাইবোন ও সহপাঠীদের কাছ থেকে অচেনাকে চিনতে উদগ্রীব থাকে। তার এ আগ্রহ শিখনকে করে তরান্বিত।  শিশুর আগ্রহী ও কৌতুহলী মানসকে বিকশিত করার জন্য শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। তার আবেগ - অনুভূতিকে উপলব্ধি করা হলো শিক্ষকের প্রথম  ও প্রধান কাজ। শিক্ষক যাকে নিয়ে কাজ করবেন তার আচার- আচরণ , অভ্যাস, মেধা ও সামর্থ্যকে ভালোমতো জানতে হবে। এতে শিশুর বিকাশ সাধনে কোন কোন কর্মপন্থা অবলম্বন করা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা  শিক্ষকর জন্য সহজ হবে।  একটি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষদের সন্তানরা পাঠ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। তাই শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৈচিত্র্যকে কেন্দ্র করে বৈচিত্র্যময় পাঠ উপস্থাপন করা অপরিহার্য।   একটি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির শিক্ষার্থী থাকে। তাই তাদেরকে শিক্ষাদান করা সহজ কাজ নয়।সকল ধরণের শিশুরা যাতে একটি পাঠ থেকে শিখতে পারে সে লক্ষ্যে একটি সমন্বিত ও বৈচিত্র্যময় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।...

ছড়া -এক পশলা বৃষ্টি

 এ ক পশলা বৃষ্টি একপশলা বৃষ্টি ঝরে গেল বনে জমে আছে জল ফোঁটা পল্লব কোণে।  কলাপাতা মেঘে ভিজে করেছে গোসল, পিপাসা মেটাল গুল্ম কানন শতদল।  ভেজা তৃণ ভেজা ওই ছড়ানো ছাতিম,  বৃষ্টিতে মাখামাখি পক্ষির ডিম।  ঝরে গেল বড়োইয়ের গজে উঠা কুঁড়ি,  হাতগুলি নুয়ে দিলো উঁচু তালবুড়ি। গাছ হতে ঝরে গেল পাকা সব ডেউয়া  ঠোঁট দিয়ে ছিঁড়ে খায় ঐ কালো কাউয়া। মেঘের আড়াল থেকে উঁকি দেয় রবি,  পাখিরা উঠে জেগে, শুরু ডাকাডাকি। ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ  সহকারী শিক্ষক,  আউলিয়াবাদ কমলা গোসাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর, হবিগঞ্জ

শিশুদের প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি

  শিশুর প্রতি শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও গবেষণার অন্ত নেই।তবে কাংখিত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ অনেক পিছিয়ে আছেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর পূর্বে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ও উচ্চ শিক্ষায় অবকাঠামোগত বিরাট সমস্যা ছিল। শিক্ষক প্যাটার্নও যথোপযুক্ত ছিলনা। ছিল শিক্ষক স্বল্পতা। তবু তখনকার শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিকভাবে পাঠদান করতেন। শিক্ষার্থীদের সাথে পিতৃতুল্য আচরণ করতেন শিক্ষকরা। সন্তানতুল্য ছাত্রদের তারা যত্নসহকারে পড়াতেন।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও খুব ভালো পাঠ দিতেন। হাত ধরে অক্ষর শিখাতেন এবং ধীরে ধীরে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ,চলিত নিয়ম,শতকরা, ঐকিক নিয়ম, পরিমাপ, জ্যামিতি ইত্যাদি শিক্ষা দিতেন। আদব -কায়দা ও শিষ্টাচার চর্চা করতেন । কিন্তু এখন অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক ও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ থাকলেও পূর্বেকার সময়ের শ্রেণিতে যে মাস্টারি লার্নিং হতো তা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে।  আজকাল পূর্বের মতো ছাত্র শিক্ষকের নিবিড় সম্পর্কের ঘাটতি রয়েছে। চতুর্দিকে শি...

ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ এর নতুন গান ‘ আমি কার ভরসায় দেব পারি পুলসেরাতের পুল’

  মরমী শিল্পী ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ এর নতুন গান ‘ আমি কার ভরসায় দেব পারি পুলসেরাতের পুল’তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত হয়েছে।      https://fb.watch/sAfWUD2KyE/   এ লিংকে প্রবেশ করলে গানটি দেখতে পাবেন। ফখর উদ্দিন মোবারক শাহ একজন গীতিকার, কবি ও নাট্যকার। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি লিখে চলেছেন। তার লেখা প্রথম কবিতা অভিলাষ ১৯৯৫ সালে দৈনিক ইনসাফ বার্তায় প্রকাশিত হয়। ১৯৯৫ সালের গোড়ার দিকে তিনি হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন।এময় দৈনিক আল মুজাদ্দেদ পত্রিকায় তিনি প্রবন্ধ লিখতে থাকেন।  ১৯৯৮ সালে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত স্বাধিকার পত্রিকায় তিনি মাধবপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ দুই বছর তিনি এতে লেখালেখি করেন।  ২০০০ সালে কুলাউড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক মানব ঠিকানায় তিনি সাংবাদিকতা করেন। ২০০২ সাল থেকে  দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকায় তার ছড়া ও নিবন্ধ প্রকাশিত হতে শুরু করে। দীর্ঘদিন বিরতির পর ২০১০ সালে তার শ্রেণিভিত্তিক লেখা দৈনিক ইত্তেফাকের অনুশীলন বিভাগে প্রকাশিত হয়।  এরপর লেখালেখিতে আবারও বিরতি দেন। ২০২২ সালে আবার লেখালেখি শুরু করেন দৈনিক ইত্...

মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষা এগিয়ে যাচ্ছে ইউএনওর নেতৃত্বে

একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদে সম্প্রদায়ের শিশুদের একীভূত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার  মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুর আহসান।  ১১ সেপ্টেম্বর ১নং নোয়াগাঁও সপ্রাবিতে তিনি বেদে পল্লীর শিশুদের  প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি বেদে পল্লী পরিদর্শন করেন এবং  বেদেদের খোঁজখবর নেন। একই দিনে  বীরসিংহপাড়া সপ্রাবিতে মিড ডে মিলের খাবার ও টিফিন বক্স বিতরণ উপলক্ষে অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি ।  স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার এ প্রচেষ্টা মাধবপুর উপজেলাকে অনেকদূর এগিয়ে নেবে মনে করছেন স্থানীয় জনগণ। আরও পড়ুন: সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক আবদুল হান্নান আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের শাহবাগ অবরোধ    English Language Club এ সদস্য ভর্তি চলছে আগামীকাল মাধবপুর আসছেন ড আহমদ আবদুল কাদের গল্প- ববিটার কথা বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন ...

বিদায় নহে স্যার, আছেন হৃদয়ের গহীনে

  রমজান মাসে বেশির ভাগ সময় আমার মনে কারবালার শহীদগণের কথা ভেসে  উঠে । আমি ধার্মিক না। তবু ইমাম হাসান ও হোসাইনকে( রা) আমি ভালো বাসি। আমি বিশ্বাস করি তাঁদের প্রতি  হৃদয়ে মহব্বত  না থাকলে রাসুলের (সা) প্রতি আমার ইমান পূর্ণ হবেনা। রাসুল (সা) আমার শাফায়াত করবেন না।  প্রাণাধিক  প্রিয় নবিজীর(সা) নাতি হযরত হোসাইন (রা) সহ তাঁর পরিবার পরিজনদের শহীদ করে ইয়াজিদ ও তাঁর বাহিনী যে নিষ্ঠুরতম আত্মার পরিচয় দিয়েছে তা আমাকে খুবই কাঁদায়। কারবালার শহীদদের শিরমোবারক বর্শায় বিদ্ধ করে কুফার  মসজিদে নামাজ পড়েছিল ইয়াজিদের প্রেতাত্মারা। তাঁরা কোন নামাজ পড়েছিল?  নামাজে বসা অবস্থায় যখন দুরুদ শরীফ পড়েছিল তখন অলা আলি মুহাম্মদ (সা) বলতে তারা কাদের কথা আল্লাহ পাককে বলেছিল? এদিকে নবীর বংশধরদের সাথে কিরূপ আচরণ করছিল? তারা যে ইসলামের মুখোশ পরে ইসলামের মূলেই কুঠারাঘাত করেছিল তা কে না জানে?  ইসলামকে ধ্বংসের অপচেষ্টা করেছিল তারা। কিন্তু ইসলাম সেদিন আরো শক্তিশালী  আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।  ইয়াজিদীদের পরিহিত মুখোশ নিয়ে আমি চিন্তা করতে থাকি। হঠাৎ ফেসবুকে চোখ বুলাতে গি...

হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মো: শরীফুল ইসলাম

 হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান মো:  শরীফুল ইসলাম। তিনি তাঁর উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল দক্ষতার দ্বারা শিক্ষা ক্ষেত্রে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছেন।  প্রাথমিক শিক্ষায় যোগদানের পরেই একের পর এক উদ্ভাবন নিয়ে এসেছেন তিনি। প্রারম্ভিক পর্যায়ে অনেকেই ভেবেছিলেন এসব উদ্ভাবন খুব একটা ভালো  ফলাফল বয়ে আনবেনা। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই পাল্টে যায় ধারণা। অদম্য এ স্বপ্নদ্রষ্টার হাত ধরে পাল্টে যেতে থাকে গতানুগতিক শিশু শিক্ষার  পরিস্থিতি। অভূতপূর্ব সাড়া পরে যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে।  বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাগ্রত হয় নব উদ্যম।গড়ে উঠে শত শত রঙিন স্কুল। একদল স্বপ্নের রূপকার তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করে গড়ে তুলে স্বপ্নের বিদ্যালয়। 'আমার স্বপ্ন আমার বিদ্যালয়' থিমটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে প্রাথমিক শিক্ষা ভুবনে। শিক্ষার্থীর দৈহিক, মানসিক  নৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্বিক বিকাশ সাধনের জন্য এ থিমটি  অনন্য রোল  মডেল। মডেলটির রূপকার শিক্ষা অফিসার মো শরীফুল ইসলাম সকল মহলে প্রশংসিত হন। বিভিন্ন সংস্থা ও গণমাধ্যম কর্মীরা তাঁর আইডিয়াগুলো প্রচার শুরু করে। তিনি তাঁর অসাধ...

জাতীয় শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয় শিক্ষা পরিবারের গৌরব

  একজন অদম্য সংগ্রামী ও মেধাবী শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান মহোদয়। তিনি আশাবাদী ও স্বপ্নের রূপকার। প্রাথমিক শিক্ষা তাঁর দিকনির্দেশনা পেয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায়।২০১৬ সালে যোগদানের পর এ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের শিক্ষা বিপ্লবের সূচনা হয়।তাঁর নবতর ধারণা শিশু শিক্ষায় এনে দেয় আমূল পরিবর্তন। ক্লাস পার্টি, শ্রেণি আমার শিশু আমার, আইসিটি টিম, স্থানীয় জনগণকে শিক্ষা সেবায় উদ্বুদ্ধকরণ ইত্যাদি ইনোভেশন একের পর এক সফলতা এনে দেয় শিশুর শারীরিক, মানসিক ও আবেগিক বিকাশ সাধনে। শিক্ষকদের উদ্বুদ্ধকরণে তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সততা ও কর্তব্য নিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগে  তিনি সবার চেয়ে এগিয়ে । এসব গুণাবলির কারণে তিনি ২০২২ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ প্রাপ্ত মেডেল শিক্ষকদের গলায় পরিয়ে দিয়ে তিনি শিক্ষকদের সম্মানিত করছেন। তিনি বেঁচে থাকুন অনন্তকাল।

শ্রদ্ধেয় সুজিত স্যার আছেন হৃদয়ের গহীনে

  বিদায়!  বেদনা বিধূর একটি শব্দ। চিরবিদায় ও কর্ম থেকে বিদায় উভয়ই খুব কষ্টকর। আর তা যদি হয় কোনো একজন আপনজনের বেলায় তা আরো কষ্টের ব্যাপার। কিছু মানুষ ক্ষণিকের পরিচয়ে আপন মহিমায় স্থান করে নেন হৃদয়ের গহীনে। কাছাকাছি অবস্থান না করলেও অনেক দূরে থেকেই মনে বিরাজ করেন ওই প্রিয় মানুষগুলো। তাঁদেরকে কখনো ভুলা যায়না।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের পর সহকর্মীদের মুখে যে নামটি প্রায়ই আলোচনার টেবিলে উঠতো সে নামটি হলো সুজিত বাবু-আমাদের সকলের প্রিয় সুজিত দেব রায় স্যার। আমার সাথে স্যারের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিলনা। তবে আমি তাঁকে চিনতাম। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসে আমি তাঁকে দেখেছি। কথা হয়নি। অত্যন্ত পরিপাটি ও চৌকস। গুছিয়ে কথা বলেন।শুদ্ধস্বর তাঁর। তবে তখনো আলাপ চারিতা হয়নি।  আমার চাকুরির প্রায় নয় বছর পরে ২০১৪ সালে ইংলিশ ইন অ্যাকশনের একটি প্রোগ্রামে তাঁর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়। কথা হয়। বিভিন্ন বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা হয়। দিনব্যপী প্রশিক্ষণে আমি তাঁকে সদা মনোযোগী ও তৎপর দেখতে পাই। যে মতামত তিনি তুলে ধরতেন তাতে থাকতো দারুণ সব যুক্তি। কোনো এক্টিভিটিকেই তিনি গভীর মনোনিবেশ ব্যতীত অতিবাহিত করেন নি।...

মাধবপুরে শিক্ষার সোনালী ইতিহাস রচিত হলো

 প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় রচনা করা হচ্ছে নতুন ইতিহাস। এমন সব  উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যা  এত আন্তরিক ও নিবিড় পরিবেশে আর কোথাও চোখে পড়েনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় , উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় , সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় এবং  বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অভিভাবকদের সঙ্গে  একত্রে নিবিড় পরিবেশে বসে শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন  । ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখটি সোনালি হরফে লেখা হয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার ইতিহাসে।  উদার হৃদয়ের এমন অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করবে।  ২৮ তারিখে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া  চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক উঠান বৈঠক। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ  মঈনুল ইসলাম মঈন স্যার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিদ্দিকুর রহমান স্যার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম স্যার। শিক্ষার ইতিহাসে যুক্ত হলো আরো একটি স্বরণীয় রেকর্ড। স্যালুট হে মহান কর্মকর্তাগণ।

বিদ্যালয়ে শিশুদের নিরাপত্তা

  আমরা জানি শিশু আগামী পৃথিবীর কর্ণধার। তাকে ঘিরেই আমাদের যত স্বপ্ন ও আশা। আমরা যারা শিশুর পিতামাতা বা অভিভাবক আছি নিজেদের চেয়েও শিশুকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।সে ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি।তার সাফল্যে আমরা সাফল্য লাভ করি ও আনন্দিত হই।নিজের শরীরে রোগ বালাই হলে তাতে ধৈর্য ধারণ করতে পারি।কিন্তু সন্তানের রোগ বালাই হলে তার চিকিৎসার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠি। নিজের সন্তানকে প্রতিবেশীদের কেউ কটু কথা বললে খুবই ব্যথিত হই আমরা। কারণ আমরা নিজের সন্তানকে এমনভাবে ভালোবাসি যে, কেউ তাকে অপমান করলে নিজেই অপমানবোধ করি।নিজের সন্তানকে কেউ মারধর করলে যেকোনো মূল্যে এর বিচার করার জন্য উঠে পড়ে লাগি।শিশু আঘাত পেলে যতটা কষ্ট অনুভব করি, নিজে আঘাত পেলেও ততটা কষ্ট অনুভব করিনা।  আমরা যেমন শিক্ষক হিসেবে নিজের সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে নিরাপত্তা কামনা করি তেমনি অন্যরাও তাদের সন্তানদেরকে স্কুলে পাঠিয়ে নিরাপত্তা কামনা করে। এটাই স্বাভাবিক।  শিশুর সন্তুষ্টির জন্য আমরা অনেক ত্যাগ করি । কেউই চাইনা আমার সন্তান কোথাও অপমান বা নির্যাতনের শিকার হোক। তেমনি  শিক্ষক হিসেবে আমাদের কাছে  যারা তাদের সন্তানকে পাঠান তারাও...

মীনা দিবসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মহোদয় যে বিষয়গুলো আলোকপাত করেছেন

  গত ২৪ সেপ্টেম্বর মীনা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান মহোদয় বলেছেন, 'প্রতিটি শিশুর কাছে মীনা একটি শক্তি, সাহস ও প্রেরণার প্রতীক; যে সব বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে শিক্ষার আলোর পথে ছুটে চলে। কারণ শিক্ষাই তাকে দেবে কাংখিত মুক্তি; পূরণ করবে অগুনতি স্বপ্ন। আর শিক্ষার আলোয় প্রতিগৃহ রাঙাতে কাজ করছে সরকার।' তিনি বলেন, 'মানব সম্পদ উন্নয়নের প্রধানতম হাতিয়ার শিক্ষা। শিশুদের জন্য আলোকিত আগামী নির্মাণ করতে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে জাতির ভিত গড়ার কাজ করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।'  গত ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা পিটিআইতে মীনা দিবস-২০২২ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর  কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে সচিব এসব কথা বলেন।  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়  বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক দীলিপ বণিক প্রমুখ।  প্রতিবছর ২৪ সেপ্টেম্বর...

প্রাথমিকে ইংরেজি শিক্ষাদান ব্যাপক হতে চলছে

  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ইংরেজি বিষয়ের দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার ও বৃটিশ কাউন্সিল যৌথভাবে কাজ করছে। শিশুদের ইংরেজি শোনা, বলা, পড়া ও লেখায় আরো কার্যকর গতিশীলতা আনার উদ্যোগ হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বৃটিশ কাউন্সিল কর্তৃক পরিচালিত TMTE প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের ১৩ টি প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের বিশেষ ট্রেইনিং ভেন্যুতে নিবিড় পরিচর্যায় মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে মাস্টার ট্রেইনারদের। তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হলে শুরু হবে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণ। সেখানে মাস্টার ট্রেইনারবৃন্দ প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।  বাংলাদেশের ইতিহাসে ইংরেজি শিখন শেখানোর ক্ষেত্রে এত বড়ো  উদ্যোগ ইতিপূর্বে  আর গ্রহণ করা হয়নি। বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ব্যবহারের যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য এ বিশাল উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষায় একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ট্রেইনিং অব মাস্টার ট্রেইনারস ইন ইংলিশ ( টিএমটিই) বৃটিশ কাউন্সিলের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষকবৃন্দের ইংরেজি শোন...

শিশুদের প্রিয় শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর মেহনাজ পারভীনের সফলতার গল্প

 দিনাজপুরের কবি মেহনাজ পারভীনের মূল পেশা হলো শিক্ষকতা। তিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষক। তাঁর রয়েছে একটি নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি যা দিয়ে তিনি পড়তে পারেন শিশুর মনের অভিব্যাক্তি। তাই তিনি শিশু বান্ধব এবং ওদের প্রিয় ব্যাক্তিত্ব। তাঁর লিখিত কয়েকটি বই আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। তিনি তাঁর লিখনীতে তুলে ধরেছেন সমাজের বাস্তবতা। স্বাধীনতার চেতনায় তিনি দীপ্তিময় এক অসাধারণ সাহিত্য রচয়িতা, সংস্কৃতি কর্মী ও শিক্ষক।  তিনি অদম্য সংগ্রামী এক মহান নারী। তাঁর  সমাজ পরিবর্তনের কাব্যিক  আন্দোলন অগ্রগামী ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি অনেক কিছু নিয়ে ভাবেন। তিনি  যে লেখালেখি করেন তা তাঁর  বিদ্যালয়ের শিশুদের উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ  করে। তাঁর  বিদ্যালয় থেকে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড মূল্যায়ন পরীক্ষায় চারজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ  হয়েছে।  তিনি দেয়াল পত্রিকা তৈরি করেছেন তাঁর  শিশুদের লেখা নিয়ে। এতে শিশুদের সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটছে।  বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে তাঁর  ১৯ জন শিক্ষার্থী  পুরস্কার পেয়েছে। তিনি একাত্তরের গণহত্যা, নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধের...